পটুয়াখালীর বাউফলে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে ভুক্তভোগীর মাকেও মারধর করা হয়। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ভুক্তভোগীর শারিরীক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা শুক্রবার রাতে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত হোসেন হাওলাদারের ভাই হাসান হাওলাদার (৩০) ও তার বাবা সেলিম হাওলাদারকে আটক করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। ভুক্তভোগী জন্মগত বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। কয়েকদিন থেকেই অভিযুক্ত হোসেন ভুক্তভোগীর চারপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন। ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে সাংসারিক কাজে ওই কিশোরীর মা কুলসুম বেগম ঘরের বাইরে গেলে অভিযুক্ত হোসেন বাড়ির পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে কিশোরীকে যৌন নির্যাতন করেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় ভুক্তভোগীর মা চিৎকার শুনতে পান। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীর সঙ্গে হোসেনকে অসংলগ্ন অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত হোসেন। বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তর পরিবার ও আশপাশের লোকজনকে জানালে চড়াও হন হোসেন ও তার বাবা সেলিম। পরে তার কয়েক স্বজনকে নিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা ও ফুফুকে মারধর করেন। অভিযুক্ত হোসেন এখনও গ্রেপ্তার হননি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. আব্দুর রউফ বলেন, ওই কিশোরীকে বিকেল ৫টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। ঘটনা শোনার পর তাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, শুক্রবার রাতে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসন ও তার বাবা সেলিম হাওলাদরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র রেখা আলম কারাগারে
রিয়ালের মুখোমুখি হওয়ার আগে জয় পেল ম্যানসিটি