দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণ লড়াই করছে বাংলাদেশ। ২২৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও ধীরে ধীরে চাপে পড়েছে ভারত।
ভারতের ইনিংসের শুরুটা হয়েছিল দারুণভাবে। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বাউন্ডারি মেরে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১১ হাজার রানের মাইলফলক ছোঁন রোহিত শর্মা। এটি করতে তাঁর লেগেছে ২৬১ ইনিংস, যা ওয়ানডেতে দ্বিতীয় দ্রুততম। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন বিরাট কোহলি (২২২ ইনিংস)।
তবে রোহিতের রেকর্ড গড়া ইনিংস বড় হয়নি। ২৩ রানে ভারতের ওপেনিং জুটি অক্ষত থাকলেও রোহিতের বিদায়ের পর ছন্দ হারায় দলটি। বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে আসেনি প্রত্যাশিত ইনিংস। ৩৮ বলে মাত্র ২২ রান করে রিশাদ হোসেনের বলে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। কোহলির শেষ ১০ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান ৫২, যা করেছিলেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। যদি আজ ৩৯ রান করতেন তিনি তবে ১৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারতেন।
তবে শুবমান গিল ব্যাট হাতে লড়াই চালিয়ে যান। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৬তম ফিফটি তুলে নেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি তাঁর টানা চতুর্থ পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস। শ্রেয়াস আইয়ার বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হন। মোস্তাফিজের কাটারে টাইমিং করতে না পেরে মাত্র ১৫ রানে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর দ্রুত রান তুলতে অক্ষর প্যাটেলকে পাঁচ নম্বরে পাঠানো হয়, কিন্তু এই কৌশল কাজে আসেনি। রিশাদের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। তখন ভারতের প্রয়োজন ছিল ৮৪ রান।
৩৪ ওভার শেষে ভারতের স্কোর ১৫৮/৪। বাংলাদেশের স্পিন ও পেস আক্রমণের সামনে ভারতের মিডল অর্ডার চাপে রয়েছে। লোয়ার মিডল অর্ডার কি দলকে উদ্ধার করতে পারবে, নাকি বাংলাদেশ তুলে নেবে এক ঐতিহাসিক জয়?
আগে শুরু করেও রোহিত ১১ হাজার করলেন কোহলির ৬ বছর পর