হাইকোর্ট  

বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা কেন নয়?

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩২ পিএম

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আজ রবিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল দেন।

চার সপ্তাহের মধ্যে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব, বেবিচকের চেয়ারম্যান, পরিচালক (প্রশাসন) ও প্রধান প্রকৌশলীকে হাবিবুরকে রুলের জবাব দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

গত ১০ ফেব্রয়ারি হাবিবুর রহমানকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়। ছয় আইনজীবীর পক্ষে আবেদনটি করেন ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার। রিটকারী অপর পাঁচ আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার মাহদী জামান বনি, অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার, অ্যাডভোকেট মো. শাহেদ সিদ্দিকী ও অ্যাডভোকেট খায়রুল বাশার।

রিট আবেদনে বলা হয়, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাদের অনুসন্ধানে এই লুটপাটের সঙ্গে হাবিবুর রহমানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে। এ ঘটনায় হাবিবুর রহমানসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশের সব বিমান ও স্থলবন্দরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে তার বিরুদ্ধে এক ভূক্তভোগী জিডি করেছেন। কিন্তু এতকিছুর পরেও হাবিবুরের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার চৌধুরী মোর্শেদ কামাল টিপু। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান। আইনজীবী সোলায়মান তুষার ‘দেশ রূপান্তরকে বলেন, এত অনিয়মের পরেও হাবিবুরের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। রিট আবেদনের আগে আমরা আইনি নোটিশ দিয়েছিলাম। কিন্তু নোটিশের ব্যত্যয় হওয়ায় আমরা হাইকোর্টের দারস্থ হই। আদালত রুল দিয়েছেন।’  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত