পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সব আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ঘোষণায় সকাল থেকেই হল ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা।
গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৯৯তম (জরুরি) সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সে কারণেই সকাল থেকে হল ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা।
কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি ঘিরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহিরাগতদের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ সংঘর্ষে ভিসিসহ আহত হন অর্ধশত শিক্ষার্থী। পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথমে পাঁচদফা পরে ভিসির পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
ভিসিকে মেডিকেল সেন্টারে অবরুদ্ধ অবস্থায় ওইদিন বেলা দেড়টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেন।
একইদিন জরুরি সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের পাঁচদফা মেনে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাতেও আন্দোলন প্রশমন হয়নি। ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে ভিসির বাসভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা। পরে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন শিক্ষার্থীরা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১১টার দিকে ভিসি বাসভবনে প্রবেশ করেন। ভিসি আসার আগেই কে বা কারা তালা ভেঙে ফেলেছিল। এরপর ভিসিকে বাসভবন থেকে বেরিয়ে যেতে আল্টিমেটাম দিয়ে ফের তালা ঝুলিয়ে দিতে গিয়েছিল শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের প্রতিবাদে মুখে পিছু হটে তারা।
ভোরে পুলিশের টহল কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব