পাহাড়ঘেরা উপত্যকায় স্বাচ্ছন্দ্য প্রবাসজীবন

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৫, ০১:৩৮ এএম

শুধু পাহাড় ঘেরা উপত্যকার দেশ নয় এই দেশটিকে ডাকা যায় বহু নামে। কমলালেবুর দেশ বা জলপাইয়ের বা আটলান্টিক মহাসাগরের কূলঘেঁষা বিস্তীর্ণ বালিময় সমুদ্র সৈকতের দেশ! চির-রৌদ্রোজ্জ্বল আলোয় বিস্তীর্ণ আকাশের নীল সাগরের দেশ! শহর জুড়ে মার্বেল পাথর বাঁধানো রাস্তা। রাতে শহরগুলো আলোকসজ্জায় স্থিরচিত্রময় নান্দনিক ভাস্কর্যের বাহারে মন ভরে তোলে। এর সঙ্গে বেজে চলে শহরের ছোট-বড় সব রাস্তায় গলিতে, মৃদু শব্দে, ক্লাসিক্যাল গান। অদূরে পাহাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মধ্যযুগীয় দুর্গ। কারও বয়স কত শতাব্দী, কারও সহস্র! চারপাশে সবুজের সমারোহ। আর রেড ওয়াইন! তার সঙ্গে দেশীয় বিয়ার-সুপারবক ও সাগরেস! সঙ্গে সারডিন মাছভাজা! এরপর চিজ। এখন তার সঙ্গে জুড়ে দিন ‘ফেস্তা’ স্প্যাানিশ ভাষায় ‘ফিয়েস্তা’। লোকজ সংগীতে ভরাট,  ইঙ্গিতময় পিম্বা সংগীতে বাহারি নাচ সব বয়সের নরনারীর উপচেপড়া ভিড়। এর মধ্যে সবচেয়ে সেরা পর্তুগিজ সুপ। গুনে দেখেছি এক ফেস্তায় প্রায় ৪২ রকমের সুপের আয়োজন করেছে ওরা। আর তার সঙ্গে পাও যা পর্তুগিজ থেকে আমরা ধার করে বানিয়েছি পাউরুটি।

সামান্য কয়েকটা পর্তুগিজ ভাষা বলতে পারলে, ওরা আপনার পরম বন্ধু। ইউরোপের আর কোনো দেশে এমন দেখতে পাওয়া যায় না! পৃথিবীর নানান দেশের মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল পাহাড়-ঘেরা উপত্যকাময় এই ছোট্ট দেশ পর্তুগাল। মাত্র এক কোটি মানুষের দেশ, যার মধ্যে প্রায় ছাব্বিশ হাজার বা তার কিছুটা ঊর্ধ্বে, আমরা বাংলাদেশি। পর্তুগালে অন্য অভিবাসীদের তুলনায় সংখ্যায় আমরা বেশ পিছিয়ে আছি কয়েকটি কারণে। প্রথম কারণটি খোদ নিজেরাই। পর্তুগালে সর্বনিম্ন মজুরি এখন ৮৭০ ইউরো,  যেখানে পাশের দেশ স্পেনে প্রায় ১২০০ ইউরো, তার পাশের দেশ ফ্রান্সে প্রায় ১৮০০ ইউরো। তাই যারা বৈধ উপায়ে ইউরোপের যে কোনো দেশে আসেন তাদের পছন্দের তালিকায়, যতই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সমৃদ্ধ হোক না কেন পর্তুগাল, যতই বাঙালির বসবাসের অনুকূল আবহাওয়া থাকুক না কেন, তার প্রথম তালিকায় পর্তুগাল থাকে না। প্রথমত, বাংলাদেশে পর্তুগালের কোনো দূতাবাস নেই। শুধু ভ্রমণ ভিসার জন্য বাংলাদেশে ফ্রান্সের দূতাবাসে গিয়ে পর্তুগালে ভ্রমণ ভিসার আবেদন করতে হয়। অন্য সব ভিসা ফ্রান্সের দূতাবাসে আবেদন করা সম্ভব নয়। যারা আসলে পর্তুগালে আসতে চান তার নিরানব্বই ভাগই আসলে ভ্রমণ করার কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে ভিসার আবেদন করেন না; তারা সেনজেন ভিসা নিয়ে পর্তুগালে এসে চাকরি খুঁজে বৈধ হতে চান। তাই ফ্রান্স দূতাবাস বেশিরভাগ এমন ভ্রমণ ভিসার আবেদন বাতিল করে দেয়। এখন পর্তুগালে যাওয়ার জন্য ভারতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশিদের জন্য। কিন্তু এটি সময় ও ব্যয়সাপেক্ষ। আবার বাংলাদেশিরা ফ্রান্সের ভ্রমণভিসা যদি পান বা অন্যান্য সেনজেনন দেশের ভ্রমণ ভিসা পান তারা ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন বা জার্মানির মতো দেশে চেষ্টা করেন ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ থাকা অবস্থায়, সেখানে যে কোনোভাবে বৈধ হতে এবং বেশিরভাগ সময়ই তারা তা করতে ব্যর্থ হন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী হওয়া ছাড়া তাদের কোনো উপায় থাকে না; আর এসাইলাম বা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন সবার পক্ষে তথ্যপ্রমাণ দিয়ে সম্ভবও হয় না। এমনও বাংলাদেশিরা এখন ইউরোপে আছেন, যারা বছরের পর বছর ধরে ইউরোপে অবৈধ উপায়ে বসবাস করছেন বৈধ হওয়ার কোনো উপায় পাচ্ছেন না! অন্যান্য দেশে বৈধ হলেও সেই দেশে থেকে নাগরিকত্ব পাবেন, তার কোনো আশা দেখছেন না। বাংলাদেশি, ভারতীয়, পাকিস্তানি ও অন্য অ-ইউরোপীয় নাগরিকরা যে সব উপায়ে ইউরোপে বৈধ হওয়ার চেষ্টা করেন তার মধ্যে একটি অন্যতম হচ্ছে কোনোভাবে সেখানে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে তারা নাগরিকত্ব লাভ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বছরের পর বছর যখন ইউরোপের অন্যান্য দেশে সেটি সম্ভব হয় না, তাই দ্রুত বৈধ হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন মজুরি কম হলেও পর্তুগালে এসে তারা ভিড় জমান।

অভিবাসী হিসেবে বৈধ হলে সর্বনিম্ন মজুরি মেলার অধিকার মেলে, তার সঙ্গে স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার যেগুলোর অভাব নিজের দেশে থাকাকালে আমরা ঠিক টের পাই না, কিন্তু বিভুঁইয়ে, অবৈধ হয়ে থেকে, সেটি খুব ভালো মতোই টের পাওয়া যায়। বিদেশের মাটিতে অবৈধ হওয়ার যে কী যন্ত্রণা এবং তা যে একজনকে কতটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগায়, যে আছে এই পরিস্থিতিতে, কেবল সেই-ই জানে। কিন্তু পর্তুগালে সেই ঝুঁকি নেই। পর্তুগালে কোনোরকমভাবে এসে উপস্থিত হলে, সেফ এন্ট্রি করলেই তারা বৈধ। অন্তত চার মাস আগ পর্যন্ত এ অবস্থা চালু ছিল। দুর্ভাগ্যের বিষয়, আপাতত সেটি বন্ধ রয়েছে। কাজেই যারা চার-পাঁচ মাস আগেও কোনোভাবে, ২০ থেকে ৫০ ইউরো খরচ করে, এখানে সেফ এন্ট্রি করেছেন, তারা সবাই বৈধ। বৈধ হওয়ার পর এখন তাদের উদ্দেশ্য শুধু কাজ খোঁজা। প্রাথমিকভাবে চেষ্টা করা দুই বছরের রেসিডেন্সি কার্ড হাতে পাওয়া,  দ্বিতীয় ধাপে আরও তিন বছরের রেসিডেন্সি কার্ড হাতে পাওয়া। সব মিলিয়ে যখন পাঁচ বছর মেয়াদকাল শেষ হবে, চূড়ান্ত ধাপে পর্তুগিজ ভাষায় দক্ষতা প্রমাণ করে পর্তুগিজ নাগরিক হওয়ার জন্য আবেদন করা।

রেসিডেন্সি কার্ড যে সুবিধাগুলো দেয় : সর্বনিম্ন মজুরির অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার, নিজের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা করার অধিকার, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অধিকারসহ অনেক কিছু। ছাব্বিশ হাজারের মতো যে বাংলাদেশি এদেশে বৈধ উপায় আছেন, তার বাইরেও কয়েক হাজার বাংলাদেশি এখানে আছেন বলে মনে হয়। লিসবোয়া (Lisbon) শহরে বাংলাদেশিদের মুদির দোকান থেকে শুরু করে কাপড়ের দোকান, রেস্তোরাঁ,  স্মারক বিক্রির দোকান ও নানা রকমের দোকান চোখে পড়ে বিশেষ করে মার্টিম মুনিজ এলাকায় গেলে। মার্টিম মুনিজ শুধু বাংলাদেশিদের নয় ভারতীয়, নেপালি, পাকিস্তানি, আফ্রিকা ও অনেক দেশের নাগরিকদের একটি মিলনমেলার স্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে লিসবনে। মার্টিম মুনিজের রাস্তায় অলিগলিতে বাংলাভাষীরা দোকানে দোকানে, কেউ কাপড় বিক্রি করছেন, কেউ ছোট কম্পিউটারের দোকান খুলে ফটোকপির দোকান খুলে আছেন। যার অবস্থা ভালো রয়েছে তিনি খুলেছেন রেস্তোরাঁ। যেহেতু পর্তুগাল সারা বিশ্বে পর্যটনের জন্য বিখ্যাত, পথে পথে মার্বেল পাথরের সড়কের ওপরে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে পরিবেশন হচ্ছে নানা রকম পর্তুগিজ খাবার সারডিন, রেড ওয়াইন, পর্ক, বিফানা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পাস্টেল ডা নাটা আর কত কিছু। আর এগুলো পরিবেশন করছেন উল্লেখযোগ্য হারে নেপালি, ভারতীয়, পাকিস্তানি অথবা বাংলাদেশিরা।

বাংলাদেশিরা চেষ্টা করেন একাধিক কাজ করার। কারণ গ্রীষ্মকালে, মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত ও শীতকালে ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মোটামুটি এই সময়টা পর্যটনের সময়। এর বাইরের মাসগুলো যেহেতু রেস্তোরাঁর ব্যবসা তেমন জমজমাট থাকে না, সেই সময়ে তাদের অন্য চাকরি খোঁজার চেষ্টা করতে হয়। কেউ কেউ সঞ্চয় করেন ওই সময়ের জন্যও। কৃষিক্ষেত্রে পর্তুগালে তেমন উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশিদের দেখতে পাওয়া যায় না।  যেমনটা ফ্রান্স বা ইতালিতে দেখা যায়। খুব অল্প সংখ্যক বাংলাদেশিদের উবারে ড্রাইভিং করতে দেখা যায়, কারণ অন্যান্য দেশের মতো খুব সহজেই এখানে এসে উবারে ড্রাইভিং শুরু করা যায় না। প্রথমত তিন বছরের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তারপর নিজেকে বৈধ হয়ে রেসিডেন্সি কার্ড হাতে পেয়ে, উবারে গাড়ি চালাতে আবেদন করতে হবে। এতে সব মিলিয়ে তিন থেকে পাঁচ বছর লেগে যেতে পারে। তবে যারা উবার করছেন, সবচেয়ে বেশি নিরাপদ আয় করছেন তারাই। মাসে গড়ে কমপক্ষে তিন হাজার ইউরো আয় করছেন তারা নিজের গাড়ি হলে। গ্রীষ্মকালে সেটি হয়ে দাঁড়ায় কখনো কখনো মাসে পাঁচ হাজার ইউরো পর্যন্ত। তবে একটা উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশিদের দেখতে পাওয়া যায় বৈধ হওয়ার পর, মানে রেসিডেন্সি কার্ড পাওয়ার পর অন্য দেশে পাড়ি দিতে! কারণ পর্তুগালের রেসিডেন্সি কার্ড নিয়ে ইইউ-এর সব দেশে তিন মাস বিনা বাধায় থাকতে পারেন, তাই তারা বেশি রোজগারের আশায় অন্য দেশে পাড়ি জমান। বিশেষ করে চেষ্টা করেন এভাবে পাঁচ বছর চালিয়ে শেষে পর্তুগাল এসে স্থায়ী নাগরিক হয়ে পাসপোর্ট পাওয়ার আবেদন করার। পর্তুগালের মতো ইউরোপের কোথাও বাংলাদেশি বা এশিয়ার কোনো নাগরিক এত সাদরে গৃহীত হন না। এরপরও বেশি রোজগারের আশায় বহু বাংলাদেশি এই ছলনার আশ্রয় নেন এবং ধরাও পড়েন। অনেক সময় তারা একূল-ওকূল দুটোই হারান।  ইউরোপের অন্যান্য দেশ যখন বিভীষিকাময় শীতের চাদরে ঢাকা, মেঘাচ্ছন্ন দিনের পর সূর্যের আলোর দেখা নেই দিনের পর দিন, ঠিক সেই সময়ও পর্তুগাল আলোয় ঝলমল। যে সময়টা বৃষ্টি হয় তখনো সূর্যের দেখা মিলবে। যে দেশটি নৈসর্গের সৌন্দর্যের আধার, স্থানে স্থানে মধ্যযুগের প্রাসাদ-রাজবাড়ি, দুর্গ, মার্বেল পাথরের রাস্তা, সম্পূর্ণ পশ্চিমাঞ্চল: উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ জুড়ে হিমশীতল মহাসমুদ্রের কল্লোল সমুদ্র সৈকতে ধূসর বালি সূর্যের স্পর্শে রক্তিম যে বাতাস, হিমশীতল হলেও মনে হয় খুব অচেনা নয়। মাইলের পর মাইল পায়ে হাঁটলেও ক্লান্তি-অবসাদ নেই। সেই দেশটির সঙ্গে আমাদের অভিবাসীদের অনেকেই যেন মিশে উঠতে পারেন না! একটা কথা না বললেই নয়। নিজেকে উপযুক্ত মর্যাদায় উত্তীর্ণ করার যে চেষ্টা, সেখানে বাংলাদেশিদের ঠিক দেখতে পাওয়া যায় না! ফলে আপনি সহজে খুঁজে পাবেন না, কোন বাংলাদেশি স্থানীয় কোন ফেস্তায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন। আনন্দ উপভোগ করছেন অন্য দশজন পর্তুগিজ বা ইউরোপীয়দের মতন। অথবা খাবার অর্ডার করছেন রেস্তোরাঁয়।

এর কারণ কী? টাকার অভাব! তা সবসময় ঠিক নয়। বহু বাঙালি এখানে আসেন,  থাকেন। রোজগার করেন বেশ ভালোই। তারপরও দেখা যায়, দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হয়ে প্রথম শ্রেণির নাগরিকদের মধ্যে থাকতেই যেন তারা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। প্রশ্ন হতে পারে, এই জীবনযুদ্ধে থেকে নিজ দেশ বাংলাদেশের কথা কেমন ভাবছেন পর্তুগালে বাংলাদেশি অভিবাসীরা? তার সঠিক উত্তরের জন্য অবশ্য একটি জরিপ দরকার। তবে সব অভিবাসীর জন্য যে কথাটা সাধারণ সত্য পরবাসে দেশকে মনে পড়ে বেশ। পরিবার-পরিজন-বন্ধুহীন প্রবাস অনেকের কাছে অনলাইনের দোয়ার খুলে দেয়। যে মানুষটি কখনো দেশের সংবাদ দেশে থাকলে জানতে চাইতেন না, প্রবাসে তিনিও দেশের খবর নেন। কেমন আছে স্বদেশ, কেমন তার রাজনীতি, কেমন তার অর্থনীতি তার খোঁজ চলে প্রতিদিন। সাধারণ আলোচনায় উঠে আসে সেগুলো। রাতে বা দিনে কর্মবিরতিতে সোশ্যাল মিডিয়া বয়ে আনে দেশের সত্য-মিথ্যা নানা সংবাদ। মিথ্যা সংবাদের বিপত্তি পার হলে মনে হানা দেয় রাজনীতি নিয়ে উচ্ছ্বাস বা হতাশা দুই-ই। তবে রাজনীতির দায়িত্বশীল আলোচনা, গঠনমূলক চিন্তায় তার বহিঃপ্রকাশ খুব কম সময়ে ঘটে। এটি তাদের দৈনন্দিন কাজের মধ্যে খুব যে প্রাধান্য পায় তা মনে হয় না। তবু নিজ দেশের স্বপ্নডিঙ্গায় কে না ভাসতে চায়? ইংল্যান্ডে বাংলাদেশিরা কয়েক প্রজন্ম ধরে আছেন। সেখানে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হয়ে থাকার প্রবণতার অবসান হয়েছে অনেকটা। এই পাহাড়-ঘেরা উপত্যকার দেশ পর্তুগালেও হয়তো এর অবসান ঘটবে এক বা দুই প্রজন্ম পরে। এতটুকু প্রত্যাশা করাই যায়।

লেখক: সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক লিসবোয়া, পর্তুগাল

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত