সিরাজগঞ্জের তাড়াশে একটি খাবার হোটেল ও মুদি দোকান ভাঙচুর করায় ৩ সমন্বয়ককে আটকের পর মারধর করে পুলিশে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ ঘটনায় হোটেল মালিকসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। পরে উভয়পক্ষের সমঝোতায় জরিমানা ও মুচলেকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে নাটোর-বনপাড়া মহাসড়কের তাড়াশ উপজেলার খালকুলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
সমন্বয়করা হলেন- নাটোর সদর উপজেলার লালমনিপুর গ্রামের আরশেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৫), মল্লিকহাটি গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান (২৫) ও উপর বাজার এলাকার সেলিম রেজার ছেলে রেজা রাব্বানী হাবিব (২৪)।
এ বিষয়ে আশা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক আলী আশরাফ জানান, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ঢাকায় নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে নাটোর থেকে আসা ছাত্র-জনতার ৩টি বাস হোটেলের সামনে থামানো হয়। এসময় হোটেলে কেক কেনা নিয়ে সমন্বয়কদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয় এবং তাৎক্ষণিক বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়। কিন্তু ঢাকা থেকে ফেরার পথে শনিবার ভোর ৫টার দিকে নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে হোটেলে ঢুকে ভাঙচুর করা হয়।
হোটেল মালিক জানান, এসময় বাধা দিলে তাকেসহ ৩ জনকে মারধর করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এসে ৩ সমন্বয়ককে আটক করলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা।
তাড়াশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে মুচলেকায় ৩ সমন্বয়ককে ছেড়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাদের ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
