নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে ভারত-নিউজিল্যান্ড দুই দলেরই। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি তাই ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই। এমন ম্যাচে ভারত ৪৪ রানে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। তাতে ‘এ’ গ্রুপ থেকে সব ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা ভারত সেমিফাইনালে খেলবে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। অপর সেমিতে মুখোমুখি হবে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা ও ‘এ’ গ্রুপ রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড।
নিউজিল্যান্ডের পেস আগুনের সামনে শুরুতে দাঁড়াতেই পারেননি শুবমান গিল, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। তবে বিপদে পড়া ভারতকে টেনে তোলেন অক্ষর প্যাটেল ও শ্রেয়াস আইয়ার জুটি। দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির পথে হাঁটলেও শেষ পর্যন্ত ৭৯ রানে থামতে হয়েছে আইয়ারকে। হার্দিক পান্ডিয়ার ৪৫ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ২৪৯ রান তোলে ভারত। জবাব দিতে নেমে ৪৫.৩ ওভারে ২০৫ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।
দুবাইয়ে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই গিলের (২) উইকেট হারায় তারা। আরেক ওপেনার রোহিতও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ভালো শুরু পেলেও ১৭ বলে ১৫ রান করেছেন তিনি। পরের ওভারে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলিও। হেনরির ডেলিভারি ছিল অফ স্টাম্পের বাইরের বলে দারুণভাবে কাট করেছিলেন তিনি। গুলির বেগে যেতে থাকা বলটি ঝাঁপিয়ে পড়ে লুফে নেন পয়েন্টে থাকা গ্লেন ফিলিপস। কিউই ফিল্ডারের এমন ক্যাচ নেওয়া যেন বিশ্বাসই করে উঠতে পারছিলেন না কোহলি। গ্যালারিতে বসে থাকা কোহলির স্ত্রী আনুশকা শর্মাও হতবাক হয়েছেন। ফিলিপসের অবিশ্বাস্য ক্যাচে ওয়ানডেতে নিজের ৩০০তম ম্যাচে ১১ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
আইয়ার ও অক্ষর মিলে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৯৬ রান যোগ করেন। অক্ষর (৪২) ফিরলে জুটি ভাঙে। তবে সাবধানী ব্যাটিংয়ে ৭৫ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন আইয়ার। তবে তাকে সেঞ্চুরি করতে দেননি উইলিয়াম ও’ রুর্কি। আউট হন ৭৯ রান করে। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লোকেশ রাহুলও। মিচেল স্যান্টনারের বলে লাথামকে ক্যাচ দিয়ে গেছেন ২৩ রান করা উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর জাদেজাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন হার্দিক। যদিও তাদের জুটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। হেনরির বলে ১৬ রান করে আউট হয়েছেন জাদেজা। তবে হার্দিকের ৪৫ রানের ইনিংসে সুবাদে ২৪৯ রানের পুঁজি পায় ভারত। কিউইদের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন হেনরি। ৯০ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এ নিয়ে তৃতীয়বার ৫ উইকেট পেলেন তিনি।
