‘অনেক বছর ধরে এই দিনটির জন্যই তো অপেক্ষা করে ছিলেন আবুল হোসাইন। খুব আয়োজন করে ছেলের বিয়ে দেবেন। অবশেষে সেই দিনটি এলো। তাই তিনি চাচ্ছিলেন বাড়িটা রঙ করাবেন। কিন্তু রঙ করানো তো আর সহজ কথা না। ব্যাপক প্রস্তুতির ব্যাপার, অন্তত কয়েকবার তো কোটিং করাতেই হবে। আর হাতে বেশি সময়ও নেই, খরচাপাতিও অনেক। এই অল্প সময়ে কীভাবে এতোকিছু সামলাবেন ভেবে তিনি একটু শঙ্কিতই ছিলেন।’
এই গল্পটা হয়তো কাল্পনিক কিন্তু আবুল হোসাইনের মতো বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরেই এমন বাবা আছেন, যাঁরাও এমনটাই ভাবেন। কারণ রঙ করানোর জন্য কয়েক ধাপে কোটিং, তারপর শুকানো সবমিলিয়ে যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং এতে যে খরচ পড়ে তাতে এই দিকগুলোর কথা তো মাথায় রাখতেই হয়।
আর তাই তাদের কথা চিন্তা করেই বার্জার পেইন্টস নিয়ে এসেছে ওয়ান কোট ইমালশন। এটি একই সাথে যেমন কাজের গুণগত মান অটুট রাখে, তেমনি সময় বাঁচায়, এমনকি ব্যয়ের দিক বিবেচনা করলেও সাশ্রয়ী। নিখুঁত ও মসৃণ ফিনিশের জন্য গতানুগতিক পেইন্টসের মতো একাধিক কোটেরও প্রয়োজন নেই। ওয়ান কোট ইমালশন শুধু একবার ব্যবহারই যথেষ্ট। একটি কোটেই পুরো দেয়াল কভার করা যায় বলে একাধিক লেয়ারেরও প্রয়োজন হয় না। ফলে অপেক্ষাকৃত কম সময় ও অল্প খরচে পরিপাটি ও সুন্দরভাবে রঙ করাতে ওয়ান কোট ইমালশন জুড়িহীন।
এছাড়া ওয়ান কোট ইমালশনে পুরো এরিয়া কভার করতে যেহেতু একটি কোটই যথেষ্ট এবং কভারেজও দেয় ১৫% বেশি, তাই সময়, পরিমাণ ও খরচ সবদিক দিয়েই এটি সাশ্রয়ী, একইসাথে পরিবেশবান্ধবও।
নতুন এই পণ্যটির বাজারজাত নিয়ে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী তার উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করেন। তিনি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলেন, ‘বার্জার সবসময়ই উদ্ভাবনে বিশ্বাসী এবং গ্রাহকের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ও সচেষ্ট। ওয়ান কোট ইমালশন প্রজেক্টটিও এরই ধারাবাহিকতার একটি নতুন সংযোজনমাত্র। এটি গ্রাহকদের চাহিদা যথেষ্ঠ ভালোভাবেই পূরণ করে যাচ্ছে এবং আমরাও মার্কেট লিডার হিসাবে তাদের সমস্যা বুঝে সে অনুযায়ী দায়িত্বশীলতার সাথে ব্যবসা পরিচালনাকেই সবসময়ই প্রাধান্য দিয়ে এসেছি। আমি গর্বিত যে আমরা আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সবসময়ই সৎ থাকতে পেরেছি।’
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে একটি বিশ্বস্ত নাম বার্জার পেইন্টস। এই দীর্ঘ সময়ে যুগের প্রয়োজনীয়তার সাথে তাল মিলিয়ে সবার প্রয়োজনীয়তার দিকেই খেয়াল রেখে এসেছি আমরা। ওয়ান কোট ইমালশনও এমনই একটি উদ্যোগ। এটি রঙের কাজকে যেমন দ্রুত, সহজ এবং আগের চেয়ে আরও সুবিধাজনক করেছে তেমনি এর সিঙ্গেল-কোট কভারেজ, দীর্ঘস্থায়ী ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ইন্টেরিয়র পেইন্টিং-এ এনে দিয়ে নতুন মাত্রা।
