নির্বাচন বিলম্ব করতে নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা শান্তি শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে একটি সুন্দর পরিবেশ। কিন্তু পরাজিত ফ্যাসিবাদ সরকার বিদেশে গিয়ে নানারকম ষড়যন্ত্র করছে। অন্তবর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। জনগণের অধিকার বলতে ভোটের অধিকারকে আমরা বুঝি। কিন্তু ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। যাতে নির্বাচন বিলম্বে হয় সেজন্য উছিলা দেওয়া হচ্ছে। সংস্কার নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু সাত মাসেও তারা কোনো স্পষ্ট রুপরেখা ঘোষণা দিতে পারেনি।’
গতকাল শনিবার রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে সাংবাদিকদের সম্মানে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল আয়োজিত ইফতার মাহফিলে ড. মোশাররফ এ কথা বলেন।
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান বিএনপির এই নেতা।
একই অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সংস্কারের দীর্ষ মেয়াদী বা স্বল্পমেয়াদের কোনো বিষয় নয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আজ যে সংস্কার হচ্ছে সেটি পরবর্তীতে আবার সংস্কার হতে পারে। যেজন্য সংস্কার দীর্ঘমেয়াদের কথা বলে যারা, তারা নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপণ করছেন। সেটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ অন্তবর্তী সরকারের প্রতি মানুষের এবং গণতন্ত্রকামী দলগুলোর যে সমর্থন রয়েছে, সেটি সরকারকেই যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কিন্তু অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা থেকে শুরু করে উপদেষ্টারা নির্বাচনের দিনক্ষণ ভিন্ন ভিন্ন রকম কথা বলছেন। যেকারণে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। জনমণে এ বিষয়ে এক ধরণের বিভ্রান্তিও তৈরি হচ্ছে।’
যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্নার সভাপতিত্বে ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
