পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বাদ জুমা রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ অনুষ্ঠান হয়।
অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. মতিউর রহমান শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ সময় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ এবং বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আইজিপি বলেন, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ধর্মীয় চর্চার অনুশীলনের অংশ হিসেবে প্রতি বছরের মতো এবারও আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠান আমাদের ধর্মের প্রতি ঐকান্তিকতা ও নিষ্ঠার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
প্রতিযোগীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, আপনাদের পুলিশি কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকতে হয়। তবুও আপনারা আজান ও কেরাত চর্চা করে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
প্রতিযোগিতায় আজানে প্রথম হয়েছেন র্যাব-৮, বরিশালের এএসআই সিরাজুল ইসলাম, দ্বিতীয় হয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই (সশস্ত্র) মো. ওমর ফারুক এবং তৃতীয় হয়েছেন যৌথভাবে যথাক্রমে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই (নিরস্ত্র) এম মহিউদ্দিন এবং ৩ এপিবিএন, শিরোমনি, খুলনার নায়েক আবু মুসা।
কেরাতে প্রথম হয়েছেন ৩ এপিবিএন, শিরোমনি, খুলনার নায়েক আবু মুসা, দ্বিতীয় হয়েছেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ-এর নায়েক খান হাসিবুর রহমান এবং তৃতীয় হয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই (সশস্ত্র) মোঃ ওমর ফারুক। কেরাতে নারী পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন ১১ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকার কনস্টেবল নাদিয়া নাছরিন নূপুর।
‘ইসলাম ও নাগরিকের অধিকার’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এএসআই (নিরস্ত্র) মো. মারুফুল ইসলাম, দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথভাবে যথাক্রমে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল মেহেদী হাসান এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের উচ্চমান সহকারী শেখ রেজাউল কবীর এবং তৃতীয় হয়েছেন ৩ এপিবিএন, শিরোমনি, খুলনার কনস্টেবল মো. ইনামুল হাসান।
পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট থেকে বাছাইকৃত পুলিশ সদস্যগণ ঢাকায় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আজান ও কেরাতে প্রথম স্থান অধিকারীগণ আজান দেন এবং কোরআন তেলাওয়াত করেন।
