থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র বিক্রি: দায় স্বীকার কনস্টেবলসহ তিনজনের

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৫, ০৫:২৬ পিএম

চট্টগ্রামে থানা থেকে লুটের অস্ত্র বেচাকেনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মো. রিয়াদ নামে পুলিশের এক কনস্টেবলসহ তিনজন আদালতে দায় স্বীকার করে  ১৬৪ ধারার জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে তারা এ জবানবন্দি দেন। বাকিরা হলেন আবু বক্কর ও মোস্তাফিজুর রহমান।

একই অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও তিন আসামির মধ্যে আবদুল গণি ও ফরহাদ হোসেন নামে দুজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ইসহাক নামে অপর এক আসামি জবানবন্দি না দেয়ায় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার নগরের কোতোয়ালী ও লোহাগাড়া থানা থেকে লুটের অস্ত্র বেচাকেনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল রিয়াদসহ ৬ জনকে চট্টগ্রাম নগরের কাঠগড় ও বাকলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আফতাব হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থানায় মামলা করেন।

কনস্টেবল রিয়াদ চাঁদপুর জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলায়। রিয়াদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) মফিজ উদ্দিন বলেন, অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে শুক্রবার বিকেলে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন জবানবন্দি দেন। বাকি দুজনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।

পতেঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র গত আগস্টে লোহাগাড়া থানা থেকে লুট হয়েছিল।

গত ৩ মার্চ সাতকানিয়ায় গণপিটুনিতে নেজাম ও সালেক নামে দুজনের মৃত্যুর পর ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ যে পিস্তলটি উদ্ধার করেছে, সেটি নগরের কোতোয়ালি থানা থেকে লুট হওয়া।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল ইসলাম ৬ মার্চ সাংবাদিকদের  বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে অস্ত্রটি দিয়ে গুলি করেছিলেন নেজাম। থানা থেকে লুটের অস্ত্র বেচাকেনায় অভিযোগ উঠার পর কয়েক দিন আগে কনস্টেবল রিয়াদকে চাঁদপুরের কর্মস্থল আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে নেয় পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত