বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় ১৫ জনের নামে মামলা

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:০৭ এএম

কালিহাতীর বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগের ১৫ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি ও উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সোহেল সিকদার ও তার চাচাতো বড় ভাইকে গত ২৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে জিলাপী ভাজা গরম তেল নিক্ষেপ ও এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যাচেষ্টা করা হয়।

গত ২৮ মার্চ কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরীপাড়া বাজার মাদ্রাসা মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত সোহেল সিকদারের বড় ভাই শাহীন সিকদার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি জানান, বিএনপি করার কারণে ২০১১ সালে আমার বাবা শাজাহান সিকদারকে রাজনৈতিক কারণে হত্যা করা হয়, যা বর্তমানে টাঙ্গাইল ২ নম্বর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন আছে। মামলার যারা আসামি তারাই আমার ছোট ভাইকে গরম তেল নিক্ষেপ করে হত্যার চেষ্টা করে এবং চাচাতো ভাইকে মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। কারণ ওই মামলার প্রত্যক্ষদর্শী ও একমাত্র অর্থবহনকারী আমার ছোট ভাই সোহেল সিকদার।

গত ৩০ মার্চ শাহীন সিকদার ঘটনায় জড়িত কালিহাতী উপজেলার রাজাফৈর গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে মামুদ আলীকে (৫০) প্রধান আসামি করে ১৫ জনসহ অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনের নামে কালিহাতী থানায় একটি মামলা করেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৪টি মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের নির্যাতন করা হয়েছে বলে জানান। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।

আহত সোহেল সিকদার বলেন, বিএনপি নেতা ডা. শাহ আলম তালুকদারের ইফতার মাহফিলে যাওয়ার সময় দুই দফায় তারা আমাদের ওপর হামলা করে। আবুবকর নামে লোকটি আমার ওপর গরম তেল নিক্ষেপ করে।

পরে আমার চাচাতো ভাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। জখম গুরুতর থাকায় সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করে।

এ ঘটনা জড়িতদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায় তারা পালিয়ে রয়েছে।

কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক (ভিপি) বলেন, সোহেল সিকদার ও তার পরিবার আমাদের দলের লোক। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। দলের পক্ষ থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

কালিহাতী থানার ওসি আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, মামলা নিয়েছি, মামলার আইয়ো তিন দিনের জন্য অন্য থানায় ডিউটি থাকায় গ্রেপ্তার হচ্ছে না। তবে আমরা আসামিদের খোঁজখবর নিচ্ছি। আশা করি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পারব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত