চট্টগ্রামে প্রথম সেশনে জমজমাট লড়াই। দুই পেসারে শুরু করলেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। তবে স্পিন আক্রমণে খানিকটা সফল স্বাগতিকরা। লাঞ্চে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮৯ রান।
মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে এমনই দৃশ্যপট সাগরিকায়। শুরুতে তানজিম হাসান সাকিব ও হাসান মাহমুদকে দিয়ে আক্রমণ শুরু করে বাংলাদেশ। তবে উইকেটের দেখা না পেয়ে অষ্টম ওভারেই আনা হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। এসেই সুযোগ তৈরি করেন তিনি। কিন্তু স্লিপে সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেন সাদমান ইসলাম।
আগে-পরে আরও কয়েকবার সম্ভাবনা জাগলেও উইকেটের খরা কাটছিল না। ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে রানের চাকা সচল রাখে জিম্বাবুয়ে। ২৮ ওভারে ৩.১৭ গড়ে তারা তোলে ৮৯ রান। প্রথম সেশনে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা হাঁকিয়েছেন ১০টি চার ও ৩টি ছক্কা।
তবে থেমে থাকেনি বাংলাদেশ। অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা তানজিম হাসান সাকিব প্রথম সাফল্য এনে দেন। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরান ব্রায়ান বেনেটকে। এরপর বোলিংয়ে এসেই বাজিমাত করেন তাইজুল ইসলাম। তাঁর ঘূর্ণিতে ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন বেন কারেন। ৫০ বল খেলে ২১ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। এর আগে একবার জীবন পেয়েছিলেন মিরাজের বলে।
এদিকে মিরাজের বলে নিক ওয়েলসের বিরুদ্ধে ক্যাচের আবেদন করে আম্পায়ার আঙুল তুলেছিলেন। বাংলাদেশও মেতে উঠেছিল উৎসবে। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান ওয়েলস। রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাট কিংবা গ্লাভসে বল লাগেনি। পরে এলবিডব্লুর সম্ভাবনাও নাকচ হয়ে যায় ‘ইম্প্যাক্ট আউটসাইড’ থাকায়।
প্রথম সেশনের লড়াইয়ে অবশ্য খানিকটা এগিয়ে থেকেই ড্রেসিংরুমে ফিরেছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামে আইসিসি থেকে পাঠানো সম্মাননা ডেভিড বুনকে দিলো বিসিবি