এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

প্রকল্পে আইন অমান্য ও দুর্নীতি উদঘাটনে প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি

আপডেট : ০৫ মে ২০২৫, ০৯:২৫ পিএম

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের এফডিসি থেকে পলাশী পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ বাতিল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্পে রাষ্ট্রীয় আইন লঙ্ঘন, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির উদঘাটনে তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্যে টিঠি পাঠানো হয়েছে। 

সোমবার (৫ মে) প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ রক্ষায় সম্পৃক্ত নাগরিক অধিকারকর্মীদের জোট ‘বাংলাদেশ গাছ রক্ষা আন্দোলন’র পক্ষে সমন্বয়ক আমিরুল রাজীব এ চিঠি পাঠান। নগর পরিকল্পনাবিদ, আইনজীবী এবং লেখকসহ ১৫ জন ব্যক্তির স্বাক্ষরিত চিঠিটি ডাক এবং ইমেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েকে পান্থকুঞ্জ ও হাতিরঝিল ধ্বংসকারী হিসেবে উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, নির্মাণ কার্যক্রমের ফলে ইতিমধ্যেই পান্থকুঞ্জের ৪৫ প্রজাতির ২ হাজারের বেশি গাছ ধ্বংস হয়ে গেছে, যা এই এলাকার একমাত্র প্রধান সবুজ স্থান। এছাড়া হাতিরঝিল জলাধারের কিছু অংশ ভরাট হয়ে গেছে, যা কাঠালবাগান, সেন্ট্রাল রোড এবং দিলু রোডের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিষ্কাশন পথ হিসেবে কাজ করে। 

চিঠিতে বলা হয়, এফডিসি-পলাশী সংযোগ সড়ক নির্মাণ বন্ধ না করা হলে সার্ক ফাউন্টেন, বাংলামটর, কাটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, নীলক্ষেত এবং পলাশীসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যানজট আরও বাড়বে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েটের ভবিষ্যতের পরিবহন এবং পরিবেশগত স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হবে। চিঠিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের বরাতে বলা হয়, পান্থকুঞ্জ পার্কে সহস্রাধিক গাছ কেটে এবং হাতিরঝিল জলাধারে মাটি ফেলে ভরাট করে নির্মাণকাজ পরিচালনার জন্য পরিবেশ ছাড়পত্রের কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। 

এতে আরও বলা হয়, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে, পরিবেশ ছাড়পত্র না নিয়ে এই পার্কে অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু করে।  

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত