দাফনের ৬ মাস পর সাবেক পৌর কাউন্সিলরের  মরদেহ উত্তোলন

আপডেট : ০৬ মে ২০২৫, ০৯:৩০ পিএম

নরসিংদীর মাধবদীতে দাফনের প্রায় ৬ মাস পর সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোবারক হোসেনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুরে মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করে পিবিআই। নরসিংদী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাফিউর রহমানের নেতৃত্বে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। 

মোবারক হোসেন মাধবদী পৌর এলাকার গাংপাড় এলাকার মৃত তালেব হোসেনের ছেলে। তিনি মাধবদী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন।

জানা যায়, গত বছরের ১৫ নভেম্বর হঠাৎ স্ট্রোক করে কাউন্সিলর মোবারকের মৃত্যু হয়। স্বাভাবিক মৃত্যু ভেবে মরদেহ দাফন করে পরিবারের সদস্যরা। গত ২২ মার্চ সকালে কবরস্থানে মোবারক হোসেনের কবর ডেকে রাখা লোহার মাচা ও মাটি সরানো অবস্থায় দেখতে পায় স্বজনরা। এসময় খোঁড়া কবর থেকে একটি বোতল, আগুনে পোড়া কাঁপড়, পোড়া কাঠসহ বিভিন্ন আলামত দেখা যায়। এতে সন্দেহ হলে মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে আবির হোসেন মাধবদী থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। পুলিশী তদন্তের পরে অভিযোগটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। পরে আদালত পিবিআইকে কবর হতে মরদেহটি মরদেহ উত্তোলন ময়না তদন্তের নির্দেশে দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

নিহতের ছোট ভাই হাজী মো. রোমান বলেন, ‘ভাইয়ের কবরে মরদেহ পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। এতে রহস্য তৈরি হলে নরসিংদী আদালতে মোবারকের স্ত্রী মনিরা সরকার (৪৩), মোবারকের শ্যালক রায়হান সরকার ও স্থানীয় পল্লী চিকিসৎক ইমন মিয়াসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করে নিহতের ছেলে আবির হোসেন। আমরা ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চাই। আর এটা স্বাভাবিক মৃত্যু না হলে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।’

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে। আমরা মরদেহ উত্তোলনের সময় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সহযোগিতা করেছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত