রৌমারীতে সাঁকো ভেঙে দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ

আপডেট : ১৮ মে ২০২৫, ০৯:০৫ পিএম

গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামের রৌমারীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেসে গেছে জিঞ্জিরাম নদীর উপর থাকা ২০০ ফুটের কাঠের সাঁকো। এতে রৌমারী উপজেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় পড়েছে প্রায় ১১ গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের। উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এই কাঠের সাঁকোটি। গত শনিবার পাহাড়ি ঢলে সাঁকোটি ভেঙে যায়।

ওই এলাকার হায়দার আলী, জহুরুল ইসলাম, আক্তার হোসেন বলেন, উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের লালকুড়া, বকবান্দা, ব্যাপাড়ীপারা, বকবান্দা নামাপাড়া, খেওয়ারচর, আগলারচর, ঝাউবাড়ী, পাঠাধোয়াপাড়াসহ ১১ গ্রামবাসীর যাতায়াত ও উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার একমাত্র সড়ক এটি। প্রায় ২০০ ফিট কাঠের সাকোঁর মাঝে ভেঙে যাওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের। এ কাঠের সাঁকোটি দিয়ে কৃষকের কৃষি পূর্ণ বাজারজাতকরণ, ধান, শাকসবজি, তরিতরকারি বাজারে আনা-নেওয়ার সমস্যা হচ্ছে। সেইসঙ্গে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৩০ হাজার লোকজন যাতায়াত করে থাকেন। বর্তমানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই জিঞ্জিরাম নদীতে ছোট নৌকা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারা পার হতো ১১ গ্রামের মানুষ। পড়ে এই গ্রামগুলোর দুর্ভোগ কমাতে জিঞ্জিরাম নদীর উপর নির্মাণ করা হয় কাঠের সাঁকো।

যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সরবেশ আলী বলেন, গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শনিবার জিঞ্জিরাম নদীর উপর থাকা কাঠের সেতুটি ভেঙে পড়ায় ৩০ হাজার মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি আমি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছি।

রৌমারী উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উজ্জ্বল কুমার হালদার বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের বলা আছে ঝড়ে কিংবা অন্য কোনো কারণে ক্ষতি হলে সেটি প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত