শারজায় আরব আমিরাতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৫ উইকেটে ২০৫ রান। টি-টোয়েন্টিতে ২৪ ম্যাচ পর দুইশো করলো বাংলাদেশ। এ নিয়ে সপ্তমবার টি-টোয়েন্টিতে দুইশো বা তার বেশি রান করলো বাংলাদেশ। এর আগে সবশেষ গত বছরের মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুইশো করেছিল বাংলাদেশ।
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ তোলে বিনা উইকেটে ৬৬। তাতে অবদান বেশি তানজিদ হাসান তামিমের। মাত্র ২৫ বলে ফিফটি পূরণ করেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে ফিফটি পূর্ণ করা তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার তানজিদ তামিম।
বাংলাদেশের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৯০ রান। ৮ চার ৩ ছক্কায় ৩৩ বলে তামিম ৫৯ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। প্রায় এক বছর পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে উদ্ধোধনী জুটিতে ৫০ বা তার বেশি রান তুললো বাংলাদেশ। ১৪ ইনিংস পর উদ্ধোধনী জুটিতে ফিফটি। ১০ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৯৪ রান।
১৩তম ওভারের তৃতীয় বলে জাওয়াদউল্লাহকে ডিপ মিডউইকেটে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লিটন দাস। ৩২ বলে ৪০ রান করে ফেরেন তিনি। অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে এটি লিটনের সর্বোচ্চ ইনিংস। আগের ম্যাচে বিশ্রামে থাকা শান্ত এদিন খেলেন ১৯ বলে ২৭ রানের ইনিংস। পরে তাওহীদ হৃদয়ের ২৪ বলে ৪৫ এবং জাকের আলীর ৬ বলে ১৮ রানে দুইশো পেরোয় বাংলাদেশ।
এদিন বাংলাদেশের একাদশে দেখা যায় চার পরিবর্তন। দেশের জার্সিতে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় পেসার নাহিদ রানার।
সেঞ্চুরিয়ান ইমন সহ-অধিনায়ক মেহেদী বাদ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে, নাহিদ রানার অভিষেক