ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানাবিধ দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে নামে-বেনামে অবৈধ সম্পর্ক অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মুহাম্মদ তুহিন ফারাবী ও ডাক্তার মাহমুদুল হাসানকে তলব করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার তাদের দুদকে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও তারা হাজির হননি।
এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত দুজনকে তলব করা হলেও তারা উপস্থিত হননি। এমনকি সময় বৃদ্ধির জন্য তারা কোনো আবেদনও করেননি। এটা তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল দুদকের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারা যদি এ সুযোগ না নেন এটা তাদের বিষয়।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, তাদের অনুপস্থিতির কারণে দুদকের অনুসন্ধান থেমে থাকবে না। দুদকের আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলমান থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ হলে দুদকের টিম তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রতিবেদনের আলোকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তাদের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে দুদক কী ব্যবস্থা নেবে এমন প্রশ্নের জবাবে আক্তার হোসেন বলেন, অনুসন্ধান টিমের কাছে যদি মনে হয় অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যেতে পারেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কী পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে তা আমাদের অনুসন্ধানকারী টিম জানেন, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
দুদকের তথ্যমতে, দুর্নীতির অভিযোগে ২১ এপ্রিল স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পিও ছাত্র প্রতিনিধি তুহিন ফারাবীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই অভিযোগ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আরেক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (ছাত্র প্রতিনিধি) ডা. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে।
