নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সন্দেহে দ্বন্দ্বে জড়াল ছাত্রদলের দুই গ্রুপ

আপডেট : ২৬ মে ২০২৫, ০৩:৩১ পিএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ফরম বিতরণের সময় এক ছাত্রদল কর্মীকে 'ছাত্রলীগ' বলাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনেই বাকবিতণ্ডায় জড়ায় ছাত্রদলের দুই গ্রুপ।

বুধবার (২১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের 'গাহি সাম্যের গান' মুক্তমঞ্চে আয়োজিত 'ফরম বিতরণ ও কর্মী সম্মেলন' অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। কর্মী সম্মেলন শেষে মঞ্চে ফরম বিতরণের সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ হোসাইন ও বর্তমান সদস্য মামুন সরকারের অনুসারী রাশেদুল হাসান রাতুল ফরম নিতে গেলে তাকে ছাত্রলীগের কর্মী বলার অভিযোগ উঠে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে প্রথমে মঞ্চে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে নতুন প্রশাসনিক ভবনের নিচে অভিযোগের প্রমাণ চেয়ে দ্বন্দ্বে জড়ায় দুই পক্ষ।

ছাত্রদল কর্মী রাশেদুল হাসান রাতুল জানান, মঞ্চে ফরম নিতে গেলে আমাকে ত্রিশাল ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি বলে অপবাদ দেওয়া হয়। অথচ আমার বাসা ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। সরকার পতনের পর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি এবং ফরহাদ ভাই, মামুন ভাইয়ের সঙ্গে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হই। স্কুল জীবনেও আমি কোনওদিন ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে যাইনি। মূলত সম্মেলনে আমার নেতার পেছনে দাঁড়ানো ও কিছু ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আমার ওপর এমন মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের কোনও প্রমাণ তারা দেখাতে পারবে না। কিন্তু তাদের সঙ্গে ঠিকই চিহ্নিত ছাত্রলীগের নেতারা ছিল।

শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ হোসাইন কাজী মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, আমরা ছাত্রলীগের সময়ে মার খেয়ে, জেলে গিয়ে ছাত্রদল করেছি। ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনওদিন আপস করি নাই। আজকের সম্মেলনে আমাদের মিছিলে আগে ছাত্রলীগ করা এমন একজন কেউ দেখাতে পারবে না। সেখানে আমি শুধু বলেছি তারা তাদের অভিযোগের বিপরীতে প্রমাণ দেখাক।

শাখা ছাত্রদের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মহিউদ্দিন বলেন, পেছন থেকে একটা আওয়াজ উঠেছে যে রাতুল ছাত্রলীগ। তারা ভেবেছে আমি বলেছি। এটা আসলে একটা ভুল বুঝাবুঝি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত