যুদ্ধবিরতির পথরেখা দেবে মস্কো : রুবিও

আপডেট : ২৩ মে ২০২৫, ১২:২১ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই কিয়েভ-মস্কোর মধ্যে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি চেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু এখনো যুদ্ধবিরতি চালুর উদ্যোগে তেমন সাড়া দেননি পুতিন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, রাশিয়ার পক্ষ থেকে শিগগিরই যুদ্ধবিরতির একটি পথরেখা দেওয়া হবে বলে আশা করছে ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ নিজেদের শর্ত ও অবস্থান জানিয়ে পথরেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর জন্য কয়েক দিন বা দুয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। পথরেখা পেলে বোঝা যাবে মস্কো এই সংঘাত বন্ধের বিষয়ে ইতিবাচক কি না। একই সঙ্গে এতে করে বিস্তারিত আলোচনা এবং এই সংঘাতের প্রায় সমাপ্তির পথ খুলে যাবে। ২০১৪ সালে দখল করা ক্রিমিয়াসহ ইউক্রেনের মোট ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলে আছে।

এদিকে, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর সবগুলো বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল বড় আকারে বিঘিœত হয়েছে। সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে চারটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম। গতকাল বৃহস্পতিবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মস্কোর আকাশে ৩৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ১০৫টি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে মন্ত্রণালয়। সামাজিকমাধ্যম টেলিগ্রামে মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, যেসব জায়গায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ড্রোনের অংশবিশেষ পড়েছে, সেখানে জরুরি সেবাদাতা সংস্থার বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। এর একদিন আগে মস্কোয় ২৭টি ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইউক্রেন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া আগ্রাসন শুরু করে। ইউক্রেন-রাশিয়ার এই যুদ্ধে পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা এখন দৈনন্দিন ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে সরাসরি মস্কো লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বেশ বিরল। রুশ বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা রোসাভিয়াৎসিয়া জানিয়েছে, মস্কোর একাধিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়। শহরের প্রধান বিমানবন্দর শেরেমেৎইয়েভোর পাশাপাশি নুকোভো, দোমোদেদোভো ও ঝুকভস্কি বিমানবন্দরেও উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত