টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যে জিডিপি পরিসংখ্যানের বাইরে তাকানোর ওপর জোর দিয়েছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অভিজিৎ ব্যানার্জি। তিনি বলেন, জিডিপির ওপর খুব বেশি জোর দেওয়া হয়। বড় দেশগুলোতে জিডিপি বেশি। তবে আমাদের মাথাপিছু জিডিপি নিয়ে কথা বলা উচিত।
আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘উন্নয়নের রূপান্তর: মূল্যায়ন, নিরীক্ষা ও নৈতিকতার মাধ্যমে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি একথা বলেন।
সেমিনারে সমন্বিত মূল্যায়ন, নিরীক্ষা ও সম্মতি ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের জন্য এনডিবির দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়। এতে উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ, বেসরকারি খাতের নেতৃবৃন্দসহ ১৫০ জনেরও বেশি লোক অংশগ্রহণ করেন। এটি উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি সক্রিয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
অভিজিৎ ব্যানার্জি তার বক্তৃতায় জোর দিয়ে বলেছেন, জিডিপি দরিদ্রদের কাছে কতটা পৌঁছায় এবং ধনীদের দ্বারা কতটা পুঞ্জীভূত হয়, এর ওপর নির্ভর করে দারিদ্র্যতার হার কতটা কমবে।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোতে গত ৩০-৪০ বছর ধরে জিডিপির একটি বড় অংশ ক্রমবর্ধমানভাবে ধনীদের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। ফলস্বরূপ, জিডিপি বৃদ্ধি সত্ত্বেও দারিদ্রের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি।
অধ্যাপক অভিজিৎ বলেছেন, আমরা যদি সবকিছু নিয়ে কথা বলতে চাই, যেমন-তাপমাত্রা পরিবর্তন সম্পর্কে, তাহলে কেবল জিডিপি যথেষ্ট নয়। আমাদের আয়ের স্তর পার্থক্য করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, গত ৩০ বছরে অনেক দেশে আয় বৈষম্য পদ্ধতিগতভাবে আরও খারাপ হয়েছে। আমাদের অবশ্যই গবেষণা করে দেখতে হবে, জিডিপির ফল থেকে কারা সত্যিকার অর্থে উপকৃত হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি আরো বলেছেন, ১০ বছর আগে বেশিরভাগ দেশে মুদ্রাস্ফীতি, বিনিময় হার এবং সরকারি ঋণ তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে ছিল, যা এখন আর নেই। টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এখন অনেক বৃহত্তর প্রশ্নের মুখোমুখি। রাজনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলো বৃহৎ সংস্থাগুলোকে টিকে থাকার ঝুঁকিতে ফেলেছে।
পরীমণির জেরার তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর
রিয়ালের দায়িত্ব নিয়েই আনচেলত্তির অবদানকে স্মরণ করলেন আলোনসো 