টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী বিরুদ্ধে। হত্যার শিকার গৃহবধূর নাম কবিতা আক্তার (২৫)। তিনি গোড়াই এলাকার একটি গার্মেন্ট শিল্প কারাখানায় কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপাড়া গ্রামের সিকদার পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন তার স্বামী সুজন মিয়া (৪০)।
হত্যার শিকার কবিতা আক্তার নীলফামারি জেলার সদর থানার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের মাঝাডাঙ্গা শিংঙ্গিমারি গ্রামের কদম আলী মেয়ে বলে জানা গেছে। তারা পরিবারসহ সোহাগপাড়া গ্রামের সিকাদার পাড়ার মূসা মিয়ার বাড়িতে গত ১৫-১৬ বছর যাবৎ বাসা ভাড়া থাকতেন।
দেওহাটা ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াস উদ্দিন (পিপিএম) বলেন, নিহত কবিতার স্বামী সুজন মিয়া ইটভাটায় ইট পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কবিতা মাস শেষে বেতন পাওয়ার সবটাকা সুজন নিয়ে ১০-১৫ জন্য গায়েব হয়ে যেত। আরো কিছু পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল।
হত্যার শিকার কবিতা আক্তারের মেয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সুমাইয়া (৮) বলেন, রাতে বাবা বাড়ি ফেরার পর থেকে মায়ের সঙ্গে তার ঝগড়া হচ্ছিল। বাবা প্রথমে মাকে রড দিয়ে পিটিয়েছে এরপর মা একটু পানি খাইতে চাইছিল। বাবা পানি না দিয়ে মাকে চাকু দিয়ে শরীরের অনেক জায়গায় আঘাত করে। শেষে চাকু দিয়ে গলা কাটে। আমার চিৎকার শুনে নানা এগিয়ে আসলে বাবা পালিয়ে যান।
মির্জাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমি রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছি। লাশ উদ্ধার করে ময়ণাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আমরা ঘাতককে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছি।
বাংলাদেশের সংস্কার কাজে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত জাপান প্রধানমন্ত্রীর
রায়পুরে বিভিন্ন সড়কে গাছ উপড়ে পড়ায় যান চলাচল ব্যাহত