সংস্কার ও বিচারের আগে কোনো নির্বাচন নয়, হত্যাকারীদের বাংলার মাটিতে বিচারের রায় কার্যকর হওয়ার পরই হতে হবে জাতীয় নির্বাচন। গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ জামায়াতে ইসলামী জেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এসব কথা বলেন। মুজিবুর রহমান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে একমাত্র ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংগঠনটি, তা জেনে ফ্যাসিস্ট সরকার গত ২০ বছর ধরে আমাদের কোনো দলীয় কার্যক্রম করতে দেয়নি। জামায়াতে ইসলামী এখন বাংলাদেশকে একটি কোরআনের তথা ইসলামী রাষ্ট্র তৈরি করতে ওই দিকে হাঁটছে সংগঠনটি। এখন সময় এসেছে বাংলাদেশকে একটি ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত করা। দেশে কোরআনের আইন বাস্তবায়ন করা। আপনারা ঘরে ঘরে কোরআনের দাওয়াত পৌঁছে দেন।’
জামায়াতের কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ২০ বছর পর এই প্রথম কিশোরগঞ্জে কোনো খোলা ময়দানে প্রকাশ্যে আয়োজিত সম্মেলনে অর্ধলক্ষাধিক নেতাকর্মীর জমায়েত হতে দেখা গেছে। ফজরের নামাজের পর জেলার ১৩টি উপজেলা থেকে সম্মেলনে নেতাকর্মীরা যোগ দেন।
সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরাসদস্য ও কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক রমজান আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও প্রচার সেক্রেটারি, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক ড. মাওলানা মো. ছামিউল হক ফারুকী, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ জেলা-উপজেলার অসংখ্য নেতাকর্মী। সমাবেশ শেষে কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনে সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
