চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কোরবানির গরু (পশু) বাজারে বৃষ্টি বাদল উপেক্ষা করে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
বুধবার (৪ জুন) পৌরসভার মিয়ার বাজার (আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে) এবং শীলকুপ টাইম বাজার ও রামদাশ মুন্সির হাটে লোকসমাগত ছিল চোখে পড়ার মত। এমনকি দীর্ঘদিন থকে ব্যবসায়ী ও খামারিরা ঈদুল আজহা উপেক্ষা গরু, মহিষ, ছাগল (পশু) পালন করে আসছে লাভের আশায়। কয়দিনের বৃষ্টিতে তাদের মাথায় হাত পড়লেও বুধবার বিকালে একটু রোদ দেখলে ক্রেতা ও বিক্রেতারা উপচে পড়ে বাজারে। এবার স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে ২০-৩০টি বাজার বসেছে বাঁশখালীর বিভিন্ন স্থানে। তাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি ও জাল টাকা রোধে মেশিন বসানো হয়েছে।
বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানীর জন্য উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ১৫৭টি মোটাতাজাকরণ খামারসহ ছোট বড় মোট ২০৫টি খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে ৪৮ হাজার ৫৩৬টি বিভিন্ন ধরনের পশু। উপজেলায় এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৪৫ হাজার ৯১৫টি। চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত থাকবে ২ হাজার ৬২১টি পশু। মজুদ পশুর মধ্যে গরু ৩১ হাজার ১৮৭টি, ছাগল ১০ হাজার ৭৭০টি, মহিষ ৩ হাজার ৫৮৬টি, ভেড়া ২ হাজার ৯৯৩টি।
মিয়ার বাজারের ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন বলেন, এখানে ক্রেতা বিক্রেতার সকল ধরনের নিরাপত্তা ও সুযোগ সুবিধা থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি ও বেশি। কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়াই চলছে ক্রয় বিক্রয় বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন ।
শীলকুপের টাইম বাজার এলাকার রানা বলেন, কোন ধরনের মধ্যস্থকারি ছাড়া চলছে এখানে গরুসহ পশু বেচাকেনা। সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে ।
বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে এ উপজেলায় প্রায় ২০/২৫টি পয়েন্টে বাজার বসেছে। পশুরহাটে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি প্রতিরোধে টহল বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় হাট কেন্দ্রিক পুলিশের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে বলেন তিনি।
বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী বলেন, বাঁশখালীতে শেষ মুহুর্তে কোরবানীর পশুর বাজার জমে উঠেছে ।আমাদের এখানে ৩০০ থেকে ৮০০শ কেজি ওজনের পর্যন্ত গরু রয়েছে। আশা করছি এবছর খামারিরা ভাল দাম পাবে। তিনি আশা করেন, এবছর কোরবানির পশুর বাজার মূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। তাছাড়া, গরু বেচা-কেনার হাটেও আমাদের মনিটরিং রয়েছে। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বিশেষ করে গুনাগরী, টাইমবাজার, চাম্বল বাজারে আমাদের মেডিক্যাল টিমের বুথ বসানো হয়েছে।
বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জামশেদুল আলম বলেন, কোরবানির পশুর বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কোন ধরনের যাতে সমস্যায় না পড়তে হয় তার জন্য মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি সকল ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া ও সহযোগিতায় পাশে থাকার জন্য সার্বক্ষনিক প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান।
ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিং চ্যানেলে ডিপোজিটের পরিমাণ ৬০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
চাঁদা না পেয়ে চালককে মারধর, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার-২
কোরবানি উপলক্ষ্যে চন্দনাইশে কলঘর শ্রমিকদের ব্যস্ততা বেড়েছে