চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পবিত্র ঈদুল আজহা কোরবানি উপলক্ষ্যে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেশিনে চাল, মরিচ, হলুদ মসলা গুড়া করার কাজে সংশ্লিষ্ট কলঘর শ্রমিকরা। যেন দম ফেলবার ফুসরত নেই। রাত দিন মেশিনের আওয়াজেই জানান দিচ্ছে কোরবানির সময় আর বেশি দিন নেই।
উপজেলার দোহাজারী পৌরসভা, বরকল, বরমা, বৈলতলী, সাতবাড়িয়া, হাশিমপুর, ধোপাছড়ি, জোয়ারা ও কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা যায়, চাল, মরিচ, হলুদ মসলা গুড়া করার মেশিনের দোকানঘর গুলোতে ভীড়। গুড়া করার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শ্রমিকরা।
কোরবানির মাংস রান্না এবং খাওয়ার অন্যতম উপাদান এসব জিনিস। তাই গৃহস্থ ঘরের বউ ঝিঁয়েরা চাল, মরিচ, হলুদ মসলা ধুয়ে রোদে শুকিয়ে গুড়া করার জন্য কলঘরে পাঠায়।
প্রতিকেজি গুড়া করার জন্য খরচ পড়ে চাউল ১০ টাকা এবং মরিচ, হলুদ ও মসলা ২৫ টাকা।
চাল গুড়া করতে আসা মো. নাছির উদ্দীন বলেন, চালের গুড়ার রুটি দিয়ে কোরাবানি মাংস খাওয়ার অন্যরকম সাধ। তাই প্রতিবছরের ন্যায় চাল নিয়ে আসলাম গুড়া করতে।
মরিচ, হলুদ, মসলা গুড়া করতে আসা মানিক বলেন, বাজার থেকে কেনা গুড়া মরিচ মসলা ভেজাল থাকে, মাংস রান্না তেমন সাধ হয়না। কোরাবানি মাংস বলে কথা তাই মরিচ, হলুদ, মসলা ধুয়ে শুকিয়ে গুড়া করতে নিয়ে আসলাম।
গাছবাড়িয়া খাঁনহাট বাজারে মরিচ, হলুদ, মসলা গুড়া দোকানের মালিক সালেহ আহমেদ ও হৃদয় বলেন, দিন রাত পরিশ্রম করে গ্রাহকদের যথাসময়ে তাদের গুড়া বুঝিয়ে দিচ্ছি।
ইশরাকের শপথের বিষয়ে ইসির কিছুই করণীয় নেই
অজ্ঞাত নারীর মাথাবিহীন-কব্জি কাটা লাশ উদ্ধার