ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) কিছু সহকর্মীর বিরুদ্ধে বৈষম্য এবং অসদাচরণের অভিযোগ এনে স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন কক্সবাজার সদর থানাধীন সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল কাইয়ুম ওরফে রিমন। অব্যাহতি চেয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে দেওয়া তার (কনস্টেবল রিমন) আবেদনটি গত ৮ জুন সংশ্লিষ্ট থানা থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অগ্রবর্তী করা হয়েছে।
কনস্টেবল রিমন তার অব্যাহতির আবেদনে কক্সবাজার সদর থানার বর্তমান ওসির নাম না লিখলেও তিনি (ওসি) এবং দুজন উপপরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপরিদর্শক (এএসআই), থানার মুন্সিসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক ও অসদাচরণের অভিযোগ আনেন। আবেদনটিতে তিনি (কনস্টেবল রিমন) লেখেন, ওসির পার্সোনাল টিম সদস্যের বাইরে কেউ বাইরে যেতে পারেন না। থানায় একটা জিডি হলেও ওই টিমের সঙ্গে কথা বলতে হয়।
থানার এসআই নুর মোহাম্মদ, এসআই চিন্ময় বড়ুয়া ও বেতার অপারেটর কনস্টেবল উপায়নসহ আরও কয়েকজন মিলে থানা পরিচালনা করেন। তাদের কথার বাইরে কেউ গেলে বদলি হতে হয়। একদিনে দুবারও ডিউটি করতে হয়েছে তাকে। এএসআই আসাদ ও মুন্সি ফোরকান সেবাপ্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগের বিচার-সালিশ করেন। এএসআই আসাদের বিরুদ্ধে কেউ টু শব্দ করতে পারেন না। কারণ তিনি ওসির পছন্দের লোক।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন শাহীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। কিন্তু একাধিকবার কল করলেও সাড়া দেননি কক্সবাজার জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা। কক্সবাজার সদর থানার বর্তমান ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমার থানায় রিমন নামের কোনো কনস্টেবল আছে কি না আমার জানা নেই। কনস্টেবল আবদুল কাউয়ুম ওরফে রিমনের স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার বিষয়েও আমার কিছু জানা নেই।’
এক প্রশ্নের উত্তরে কক্সবাজার সদর থানায় এসআই নুর মোহাম্মদ, এসআই চিন্ময় বড়ুয়া ও বেতার অপারেটর কনস্টেবল উপায়ন কর্মরত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ।
