জিয়াউর রহমানের অবদান বলে শেষ করা যাবে না: রিজভী

আপডেট : ১৯ জুন ২০২৫, ০৩:৩২ পিএম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশ ও মানুষের জন্য যে অবদান তৈরি করা সেটি জিয়াউর রহমান করেছেন। মানুষকে স্বনির্ভর করতে তার ছিল মহান পরিকল্পনা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন কিন্তু কখনোই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেননি। তিনি বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কথা শুনেছেন। যা গণতন্ত্রের নমুনা ও বৈশিষ্ট্য।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের উদ্যোগে ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শিক্ষাদর্শন ও কর্মসূচি’ শীর্ষক এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমান অর্থনীতি, শিক্ষা, রাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে শৃঙ্খলার মধ্যে এনে একটি ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছিলেন। অথচ আজ তাকে নিয়ে নানা কথা বলা হচ্ছে। তবে বিশ্বে তাকে বলা একজন সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়ক। তার দক্ষ ও গতিশীল কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে ফারাক্কা ইস্যু জাতিসংঘে পর্যন্ত গেছে। ফলে চীনও নিন্দা জানিয়েছে। জাতিসংঘ প্রতিবাদ করেছে। জিয়াউর রহমান সবসময় নিজ দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের অবদান অপরিসীম। যা বলে শেষ করা যাবে না। তিনি বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিপরীতে পুরো দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি নিজ দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে যাতে কোনও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড না ঘটে, কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করেছেন। স্ট্রিক্ট অ্যান্ড টেরর পদ্ধতিতে পার্বত্যাঞ্চলে সমস্যার সমাধান করেছিলেন। তিনি কখনও চামচামি পছন্দ করতেন না। তিনি ছিলেন গণতান্ত্রিক চেতনায় উজ্জীবিত। বিপরীতে আরেকজন সব দল নিষিদ্ধ করে এবং চারটি বাদে সব গণমাধ্যম বন্ধ করে বাকশাল করেছিলেন। জিয়াউর রহমান সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়ক।

ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ড. আবদুল মঈন খান। আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল। এ ছাড়া ‘শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শিক্ষাদর্শন ও কর্মসূচি‘ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাবির কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত