অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার উসমান খাজা আবারও নীতিগত অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। ব্রিজটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিন ৪৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলার পর তিনি অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় স্পোর্টস রেডিওআসীন এসইএন-কে সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানান। কারণ, এই এসইএন-ই চার মাস আগে বর্ষীয়ান সাংবাদিক পিটার লালোরকে চাকরিচ্যুত করেছিল, কারণ তিনি গাজা সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশ করেছিলেন।
খাজা নিজেও দীর্ঘদিন ধরে গাজার সাধারণ মানুষের ওপর চালানো হামলার প্রতিবাদ করে আসছেন। ২০২৩ সালের শেষ দিকে তিনি নিজের ব্যাট ও জুতায় শান্তির প্রতীক ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আইসিসি সেটিকে ‘রাজনৈতিক বার্তা’ বলে প্রত্যাখ্যান করে।
লালোরকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা সফরের সময় এসইএন থেকে বাদ দেওয়া হয়, যখন তিনি খাজার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস—২৩২ রানের সাক্ষী ছিলেন। খাজা সেই সময় বলেছিলেন, “গাজার মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোটা ইহুদি-বিদ্বেষ নয়, বরং এটা ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্ন।”
টেস্ট ম্যাচ শেষে স্টাম্পস ইন্টারভিউ সাধারণত দলের সেরা খেলোয়াড়দের নেওয়া হয়, এবং এদিন সেই খেলোয়াড় ছিলেন খাজা। এসইএন-এর পক্ষ থেকে সাংবাদিক ভারত সুন্দরেসান ও অ্যাডাম কলিন্স মাঠে খাজার কাছে গেলে, প্রথমে তিনি রাজি হন। কিন্তু পরে মাইক্রোফোনে এসইএন-এর লোগো দেখে হাত তুলে ইশারায় তাদের থামিয়ে দেন এবং চলে যান।
এ বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বা খাজা কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেননি। তবে সাংবাদিক লালোর, যিনি বর্তমানে একজন স্বাধীন সাংবাদিক হিসেবে সিরিজ কাভার করছেন, বলেন: “উসমান একজন নীতিবান মানুষ। আমি যখন চাকরি হারাই, তখন তার সমর্থন আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি ছিল। এখনও তিনি যেভাবে পাশে আছেন, আমি কৃতজ্ঞ।”
সিকি শতাব্দীর পথচলায় প্রাপ্তি সামান্যই