উচ্চ আদালতসহ দেশের সব ট্রাইব্যুনাল ও অধস্তন আদালত চত্বরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের অধীন আদালতরক্ষী বা বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনী গঠন প্রশ্নে রুল দিয়েছে হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে সোমবার (৩০ জুন) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল দেয়। শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বিচারকার্য পরিচালনা, সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব ট্রাইব্যুনাল ও অধস্তন আদালত চত্বরে আইনজীবী, জনগণের স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিচার বিভাগের অধীন কারারক্ষীর মতো আদালতরক্ষী বা কোর্ট সিকিউরিটি (সিএফ) নামে বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব, আইনসচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে রুলের জবাব দিতে বলেছে আদালত।
নরসিংদীর রায়পুরার বাসিন্দা আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া গত ফেব্রুয়ারিতে এ রিট আবেদনটি করেন। আবেদনের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান ও তানিম খান।
আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আদালত চত্বরে প্রায়শই হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাসহ হামলা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে করে বিচারক, আইনজীবীসহ বিচারপ্রত্যাশিদের নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়ে। শুধু তাই নয়, নিরাপত্তাহীনতার কারণে সাক্ষীরা আদালতে আসতে ভয় পান। এর বিরুপ প্রভাব পড়ে মামলার ওপর। শুনানির পর হাইকোর্ট আদালতে নিরাপত্তায় বিশেষায়িত বাহিনীর বিষয়ে রুল দিয়েছেন।’
