গত ছয় মাসে ৯ লাখের বেশি এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, প্রতি মাসে আগে যেখানে গড়ে এক লাখ করে আবেদন পড়ত, এখন তা কমে প্রায় ৮০ হাজারে নেমেছে। বর্তমানে অনিষ্পন্ন আবেদন রয়েছে ৭৬ হাজার ৬৯৪টি।
গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ‘এনআইডি সংশোধন-সংক্রান্ত ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’ অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
সচিব জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারিতে এনআইডি সংশোধনের অনিষ্পন্ন আবেদন ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৬টি, ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে নতুন আবেদন পড়ে ৬ লাখ ৫ হাজার ৫২০টি। সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৬টি আবেদনের মধ্যে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামে’ নিষ্পন্ন করা হয়েছে ৯ লাখ ৭ হাজার ৬৬২টি।
নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, প্রতি মাসে নাগরিকদের এনআইডি সংশোধন নিয়ে আবেদনও কমে আসছে। ভোগান্তির মাত্রাও কমে এসেছে। আশা করি আগামীতে এনআইডি সেবা নিয়ে আর হয়রানির অভিযোগ থাকবে না।
একই দিনে জাপানের সঙ্গে ইউএনডিপির একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) উপস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে জাপান সরকার সাড়ে ৫৮ কোটি টাকা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসি। এই অর্থ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) মাধ্যমে দিচ্ছে জাপান। এ লক্ষ্যে জাপানের সঙ্গে ইউএনডিপির চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এসব অর্থ নির্বাচন কমিশনের ‘ব্যালট’ প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যয় করা হবে।
