খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দারের অপসারণ দাবিতে ফের খুলনা নগরীর বিভিন্ন কলেজের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ছাত্র-জনতার ব্যানারের চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর এ কর্মসূচি পালিত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা মহানগর সদস্যসচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, বেলা ১১টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত নগরীর কলেজগুলোর সামনে ব্লকেড কর্মসূচির কথা থাকলেও কোনো কোনো কলেজের সামনে দুপুর একটার পর বিক্ষোভ পালিত হয়।
নগরীর সরকারি বিএল কলেজ, অযাম খান সরকারি কমার্স কলেজ, হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ, সিটি কলেজ, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজসহ অন্তত এক ডজন কলেজের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
তিনি আরও জানান, চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী রবিবার থেকে খুলনার সকল রাজপথ, রেলপথ ও নৌপথ অবরোধের কথা থাকলেও পবিত্র আশুরার ছুটি থাকায় পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানানো হবে।
এর আগে গত বুধবার(২৫ জুন) থেকে কেএমপি কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে নগরীর গ্লাক্সোর মোড়ের কেএমপি সদর দপ্তর ঘেরাও করে ছাত্র-জনতা। এভাবে কয়েকদিন কর্মসূচি পালন শেষে মঙ্গলবার (১ জুন) বিকালে রূপসা সেতুর টোল প্লাজা দেড় ঘণ্টা ব্লকেড করা হয়। সেদিন ঘোষিত নতন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ এ বিক্ষোভ হয়।
তবে এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অপরাংশ কেএমপি কমিশনার বিরোধী এ কর্মসূচির সঙ্গে তারা একমত নয় বলে জানানো হয়।
এসআই সুকান্তকে ছাত্র-জনতা ধরে দেওয়ার পরও পুলিশ তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। যদিও পরে এসআই সুকান্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
এসআই সুকান্ত খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনার বাড়ি ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি। ছাত্র-জনতার ব্যানারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাংশের এ কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
