লর্ডস টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ডিউকস বল নিয়ে চলমান বিতর্কের মাঝেই নতুন প্রস্তাব দিলেন জো রুট। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মনে করেন, প্রতি ৮০ ওভারে তিনবার করে বল পরিবর্তনের সুযোগ থাকা উচিত দুই দলেরই, চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে।
ভারতের বিপক্ষে চলমান হোম সিরিজে বারবার বল পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ দেখা গেছে দু’দলের মধ্যেই। বিশেষ করে তৃতীয় টেস্টে দ্বিতীয় নতুন বল মাত্র ১০.৩ ওভার ব্যবহারের পরই বদলাতে হয়। বলটি দিয়ে জাসপ্রিত বুমরা মাত্র ১৪ ডেলিভারিতে তিনটি উইকেট তুলে নেন, কিন্তু এরপর জেমি স্মিথ ও ব্রাইডন কার্সকে আউট করতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। পরবর্তীতে আরও একবার বল পরিবর্তন করতে হয়, আগেরটি বদলানোর ৪৮ বল পর। বারবার বল নরম হয়ে যাওয়া ও আকৃতি হারানো নিয়ে সিরিজজুড়েই সমালোচনার মুখে রয়েছে ডিউকস বল, যা গত পাঁচ বছর ধরেই আলোচনায় রয়েছে।
লর্ডস টেস্টার দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে রুট বলেন, “আমি মনে করি, প্রতিটি দলকে ৮০ ওভারে তিনটি করে বল পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ দেওয়া যেতে পারে। তবে বলের রিংগুলো সঠিক আকারের হতে হবে, খুব বড় নয়। এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ উপায় হতে পারে, যেখানে দায় সবটাই প্রস্তুতকারকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।”
রুট আরও যোগ করেন, “কখনও কখনও এমন হয়, কিন্তু আপনি একের পর এক বল পরিবর্তন করতে পারেন না। এতে সময় নষ্ট হয়, খেলার গতি কমে যায়। মাঠে এসে খেলায় মনোযোগ দেওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ।”
তবে ডিউকস বলের মান নিয়ে সরাসরি কোনো অভিযোগ করেননি রুট। বরং তিনি বলেন, “আমি জানি না তারা কীভাবে বল বানায়। বলগুলো হাতে তৈরি, তাই সব বল একরকম হবে না। এবারের গ্রীষ্মটা একটু ব্যতিক্রম – প্রচুর রোদ, গরম, শক্ত উইকেট ও শক্ত আউটফিল্ড। এসবেরও প্রভাব থাকতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “যদি বলের আকার নষ্ট হয়, তাহলে পাল্টে ফেলুন। এটা নিয়ে অতিরিক্ত হৈচৈ করার কিছু নেই। বল যদি সুইং না করে বা হঠাৎ করে বেশি সুইং করে, তাহলে সেটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।”
ভারতের পেসার বুমরা এই বল পরিবর্তন নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তিনি জানান, “বল কখন বদলাবে সেটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। আমি শুধু বল পেয়েছি, সেটা দিয়েই বল করেছি। আগে কখনো এমন ঘটনা মনে পড়ে না। বিতর্কিত কিছু বললে জরিমানা হবে, তাই বলছি না।”
১০ ওভারেই নরম হয়ে যাচ্ছে বল; লর্ডসে বল নিয়ে তুলকালাম!
লিওনার্দোর ‘মোনালিসা’ এখন জয়নুলের ‘দুর্ভিক্ষ’