ডিউকস বল নিয়ে তোলপাড় চলছে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজে। প্রতিটি ম্যাচেই ফিল্ডিং দল অভিযোগ করছেন এই বল নিয়ে। টেস্টে একটি বল ৮০ ওভার ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও ৬০ ওভার পরই ডিউকস বল নরম হয়ে আকৃতি হারাচ্ছে। চলতি লর্ডস টেস্টেও এ নিয়ে আম্পায়ারদের সাথে ক্রিকেটারদের বাদানুবাদ চলছেই। অথচ, একটা সময় এই ডিউকস বলকেই সমর্থন দিয়েছিলেন ভারতের ব্যাটিং কিং বিরাট কোহলি।
গতকাল লর্ডস টেস্টের দ্বিতীয় দিনে শুরুর স্পেলে জসপ্রীত বুমরা ইংল্যান্ডের তিন ব্যাটারকে তুলে নিয়েছিলেন। কিন্তু বল নিয়ে ভারতীয়রা সন্তুষ্ট ছিল না। তারা অভিযোগ করেন আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা সৈকতের কাছে। বাংলাদেশের আম্পায়ার খতিয়ে দেখেন, সত্যিই বলের আকার বদলে গেছে। ততক্ষণে সেই বলে খেলা হয়েছে মাত্র ১০.৩ ওভার! শরফুদ্দৌলা বল পরিবর্তন করে দেওয়ার পরও সমস্যার শেষ হয়নি। নতুন বলটিও ছিল অন্তত ২০ ওভারের পুরনো!
২০১৮ সালে উপমহাদেশে বহুল ব্যবহৃত এসজি বলের ওপর বিরক্ত হয়ে ডিউকস বলকে সমর্থন দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। ওই বছর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন এসজি বল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তখন অশ্বিনের পাশে দাড়িয়েছিলেন বিরাট কোহলি। তিনি ডিউকস বলকে সর্বজনীনভাবে গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে কোহলি বলেছিলেন, ‘মাত্র পাঁচ ওভারের মধ্যে বলের আকৃতি পরিবর্তন হওয়ার ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। আগে বলের মান ভাল ছিল এবং কেন এর মান এখন খারাপ হচ্ছে জানি না। ডিউকস বল এখনো ভালো মানের, কোকাবুরাও ভালো। কোকাবুরার যতই সীমাবদ্ধতা থাকুক না কেন, মান নিয়ে কখনো আপস করেনি। আমি মনে করি, ডিউকস বল টেস্ট ম্যাচের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।’
এদিকে চলতি লর্ডস টেস্টের মাঝেই ইংল্যান্ডেরই সাবেক ক্রিকেটার স্টুয়ার্ট ব্রড সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘বল সবসময় একজন ভালো উইকেটকিপারের মতো, যাকে নিয়ে বেশি আলোচনা হয় না। সে চুপচাপ নিজের কাজ করে। কিন্তু এই সিরিজে বল নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। গত পাঁচ বছর ধরেই ডিউক বলে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একটা বলে ৮০ ওভার খেলা হওয়া উচিত, ১০ ওভার নয়।’
লিওনার্দোর ‘মোনালিসা’ এখন জয়নুলের ‘দুর্ভিক্ষ’
আর্জেন্টিনা সমর্থকদের চেলসির হয়ে গলা ফাটাতে বললেন এনজো