গাজার মধ্যাঞ্চলে পানি আনার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয় শিশু ছিল বলে জানিয়েছে গাজার জরুরি সেবা কর্মকর্তারা। নুসাইরাতের আল-আওদা হাসপাতালে তাদের মরদেহ নেওয়া হয়।
একই হাসপাতালে আহত সাত শিশুসহ ১৬ জন চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে একটি পানির ট্যাংকারের পাশে খালি জেরিক্যান নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ওপর ড্রোন থেকে মিসাইল ছুঁড়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, ইসলামিক জিহাদের এক ‘সন্ত্রাসীকে’ লক্ষ্য করে চালানো হামলার সময় ‘কারিগরি ত্রুটির’ কারণে গোলাটি লক্ষ্যবস্তু থেকে বেশ কিছু দূরে গিয়ে পড়ে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় তারা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, তারা ‘ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ সম্পর্কে শুনেছে’। বেসামরিকদের ক্ষতি করার জন্য তারা অনুতপ্ত।
ঘটনার পর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রক্তাক্ত শিশু ও নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়, সঙ্গে আতঙ্ক ও চিৎকারের দৃশ্য।
