দক্ষিণ আফ্রিকার বেনোনিতে আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা। নিজেদের প্রথম দুই ওয়ানডে ম্যাচেই ১০০ রানের বেশি ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছে ১০৪ রানে।
প্রথমে ব্যাট করে শক্ত ভিত গড়েন জাওয়াদ আবরার, আজিজুল হাকিম তামিম ও রিজান হোসেন—তিনজনই করেন হাফ সেঞ্চুরি। জাওয়াদ শুরুটা এনে দেন, ৬ ছক্কা ও এক চারে ৫৩ বলে ৫৭ রানের ঝলমলে ইনিংস তার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আজিজুল—দৃঢ়তায় গড়া ৯০ বলে ৬৭ রান। আর রিজান খেলেছেন কার্যকর ইনিংস, ৭১ বলে ৫২ রান। ইনিংসের শেষভাগে রাতুল, ফয়সাল ও ফাহাদ ছোট ছোট অবদান রাখেন, বাংলাদেশ তোলে ২৬৫ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ছন্দপতন দক্ষিণ আফ্রিকার। আগের ম্যাচের হাফ সেঞ্চুরিয়ান অধিনায়ক মোহামেদ বুলবুলিয়া আউট হন মাত্র ২ রানে। বাকি ব্যাটাররাও হতাশ করেন। কেবল জেসন রোওলেস একপ্রান্ত আগলে রেখে ৫ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৫১ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর ছিল কর্নে বোথার ২৬।
বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে ধুঁকতে থাকে প্রোটিয়া যুবারা। আল ফাহাদ, আজিজুল হাকিম ও স্বাধীন ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট। প্রতিপক্ষ থেমে যায় ১৬১ রানে, ৪০.১ ওভারে গুটিয়ে যায় পুরো দল।
বাংলাদেশের জন্য এটি শুধু একটি জয় নয়—দেশের বাইরে, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো কঠিন কন্ডিশনে সিরিজ জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বহুগুণে। ব্যাটে-বলে পরিপক্বতা, আর দলগত প্রয়াসে গড়া এই সাফল্য ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী করে তোলে ক্রিকেটপ্রেমীদের।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা। তবে সেখানেও নিশ্চয়ই আরেকবার দাপট দেখাতে চায় এই আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
হ্যাটট্রিক সোয়াদের ট্রিপল ক্রাউন নাছিমার
'বন্ধুত্ব প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা জানার জানালাও খুলে দেয়,' সালমানের কথার জবাবে লিটন