আট দফা দাবিতে জামালপুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারং কলেজে বিক্ষোভ মিছিল করে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীর। দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত তালা খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীর।
রবিবার (২০জুলাই) বিকেলে কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আট দফা দাবিতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন।
আট দফা দাবি গুলোর মধ্যে রয়েছে, শিক্ষক সংকট স্থায়ীভাবে সমাধান, ল্যাবের জন্য পর্যাপ্ত লোকবল নিয়োগ, ক্যাম্পাসে বরাদ্দ বৃদ্ধি, তিন মাসের মধ্যে মার্কশিটসহ রেজাল্ট প্রদান, সেমিস্টার ও রিটেক ফি কমানো, ছয় মাসের মধ্যে প্রতিটি সেমিস্টার সম্পন্ন করা ও ইম্প্রুভমেন্ট সিস্টেম চালু করতে হবে।
এ বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা, 'বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কালো হাত ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও'। 'শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা চলবে না, চলবে না'। 'শিক্ষার নামে প্রহসন, চলবে না, চলবে না'। এমন বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেন শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান, সাকিন, রায়হান, জিহান আব্দুল্লাহ জীমসহ অনেকেই।
শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বস্ত্র অধিদপ্তর পরিচালিত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষক সংকটে রয়েছে। এই কলেজে শুধুমাত্র স্থায়ীভাবে ছয় জন শিক্ষক রয়েছে। অতিথি শিক্ষক নিয়ে মাঝে মধ্যে ক্লাস পরিচালনা করে থাকেন।
কলেজের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বলেন, 'আমরা আট দফা দাবিতে কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি। আমাদের ৮ দফা দাবি না মানা না পর্যন্ত, আমাদের আন্দোলন চলবে। এখানে সবকিছুর আধুনিক সুবিধা থাকলেও জনবল সংকট রয়েছে। জনবল না থাকায় ল্যাবের যন্ত্রপাতি ও মেশিন নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলতে জামালপুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ বিশ্বজিৎ দাসের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।
কাপাসিয়ায় মাদকাসক্ত যুবকের ছুড়িকাঘাতে স্কুল দপ্তরি নিহত
নিরাপদ অঞ্চল গড়তে চলতি বছর তিনটি যৌথ মহড়া চালাবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র 