এটা ভালো লক্ষণ যে টপ অর্ডার লম্বা ইনিংস খেলছে: লিটন দাস

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২৫, ১২:০১ এএম

২৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে পাকিস্তানকে হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজের শুরুটা মনের মতো করতে পেরেছে বাংলাদেশ। বোলারদের দুর্দান্ত থাকার দিনে মাত্র ১১০ রানেই পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মতো গুটিয়ে দিয়ে শুরু। সবচেয়ে কিপটে বোলিং করে মোস্তাফিজ ৬ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট, তাসকিন ২২ রানে ৩টি। ৯ ম্যাচ পর টসের সঙ্গে ম্যাচও জিতেছেন লিটন দাস। শুরুর হতাশা কাটিয়ে শ্রীলঙ্কায় দুটির পর পেলেন পাকিস্তানের বিপক্ষেও জয়। অধিনায়ক হিসেবে টানা তৃতীয়।

ম্যাচশেষে লিটন বলেন, ‘আমরা উইকেট সম্পর্কে জানি, কারণ মিরপুরে অনেক ক্রিকেট খেলেছি। এটা ব্যাট করার জন্য সহজ পিচ না। আমরা যেভাবে ব্যাট করেছি সেটা ভালো। দ্বিতীয় ইনিংসে বল ভালোভাবে ব্যাটে আসে, সম্ভবত কুয়াশার কারণে। আমরা ভালো বোলিং করেছি এবং শুরুতেই উইকেট নিতে পেরেছি। কোনো দিন অসাধারণ ক্যাচ ধরা হয়, আবার কোনো দিন ভালো খেলোয়াড়রাও ক্যাচ ফেলতে পারে। আমরা জানি মিরপুরে ফিজ (মোস্তাফিজ) কিভাবে বল এক্সিকিউট করে। তানজিম আর তাসকিনও ভালো বোলিং করেছে।’

দলের ব্যাটিং নিয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘এটা ভালো লক্ষণ — আপনি যদি গত কয়েকটি টি-টোয়েন্টি দেখেন, তাহলে দেখবেন টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যান লম্বা ইনিংস খেলছে এবং রান করছে। হৃদয় এখন আরও অভিজ্ঞ এবং ক্রিকেটকে ভালোভাবে বুঝতে শিখেছে। আর ইমনও ভালো ব্যাট করেছে।’

তবে বাংলাদেশের জন্য এ জয় হওয়া উচিত ছিল আরও সহজ। কিন্তু শুরু থেকেই নিজেদের জন্য কাজটা কিছুটা কঠিন করে তোলেন ব্যাটসম্যানরা। মাত্র ১১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে প্রথম ওভারেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে বসে দল। এরপর সালমান মির্জা তার পরের ওভারেই আবার আঘাত হানেন লিটন দাসকে স্লিপে ক্যাচ দিতে বাধ্য করে। ৭ রানে ২ উইকেট নেই।

তবে সেই চাপ কমিয়ে জয়ের ভিত গড়েন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ ইমন। শুরুতেই কয়েকটি বিশাল ছক্কা মারেন দুজন। জুটি গড়েন ৬২ বলে ৭৩ রানের। হৃদয় ৩৭ বলে ৩৬ রান করে আউট হলেও ইমন শেষ পর্যন্ত ছিলেন ৩ চার, ৫ ছক্কায় ৩৯ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ম্যাচসেরা হয়ে ইমন বলেন, ‘দল জেতায় খুব খুশি। আমরা ইতিবাচক ছিলাম এবং স্কোর করার বল খুঁজছিলাম। যখন ছক্কা মারি, আমি উপভোগ করি।’

 

 

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত