কাশ্মীরে সন্ত্রাস ফিরে আসার জন্য দায়ী মোদি প্রশাসন

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৫, ১২:৪১ এএম

ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে পুনরায় অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য সম্পূর্ণরূপে মোদি সরকারকে দায়ী করেছে, উপত্যকাটির মানবাধিকার গোষ্ঠী- দ্য ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস ইন জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর (এফএইচআরজেকে)। সংগঠনটির ষষ্ঠ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী পাওয়া তথ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন, বিভিন্ন সংস্থার তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার এবং তথ্য জানার অধিকার আইন অনুযায়ী প্রাপ্ত সরকারি তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

বেসরকারি এই সংগঠনে রয়েছেন সাবেক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোপাল পিল্লাই, সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি মদন লোকুর ও রুমা পাল, ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ, দিল্লি ও মাদ্রাজ হাইকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি এ পি শাহ, সাংবাদিক আনন্দ সহায় এবং কেন্দ্র ও জম্মু–কাশ্মীরের মধ্যে আলোচনার জন্য গঠিত মধ্যস্থতাকারী দলের অন্যতম সদস্য রাধা কুমারের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন করার পর এই ফোরাম গঠিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি সরকার ক্ষমতা নিজেদের হাতে কেন্দ্রীভূত করার একতরফা সিদ্ধান্তের ফলে বেসামরিক নিরাপত্তা ও শাসনের দায়িত্ব রাজ্যের লোকদের হাতে চলে গেছে। ফলস্বরূপ তৃণমূল পর্যায় থেকে গোয়েন্দা তথ্যের অভাব দেখা দিয়েছে এবং নিরাপত্তা ত্রুটির কারণ হয়েছে, যা পীর পাঞ্জাল ও চেনাব উপত্যকা অঞ্চলে সীমান্ত সন্ত্রাসবাদের প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছে এবং পরে তা কাশ্মীরে ছড়িয়ে পড়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, এটিই পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতার কারণ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত