২০২২ সালের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছিলেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ, ভারতের হনুমা বিহারী-পারভেজ রসুল, শ্রীলঙ্কার চতুরঙ্গা ডি সিলভারা। ২০২৩ সালেও খেলেছিলেন কয়েকজন বিদেশী। এরপর ডলার সংকট ও নীতিগত কারণে বিদেশি ক্রিকেটার খেলানো বন্ধ হয়ে যায়। দুই মৌসুমের বিরতি দিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবার ফিরছে বিদেশীরা। শুধু ডিপিএল নয়, প্রায় ২০ বছর পর জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খেলবেন বিদেশি ক্রিকেটাররা।
দর্শক আগ্রহ ও প্রতিযোগিতার মান বাড়াতে এ উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। স্থানীয় ক্রিকেটারদের সুযোগ বজায় রাখতে প্রতি দলে একজন বিদেশি খেলানোর প্রস্তাব রয়েছে। তবে কয়েকটি ক্লাব দুইজন বিদেশি খেলানোর অনুমতি চেয়েছে।
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডিপিএল শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে খেলা মাঠে গড়ানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদী আয়োজকরা।
বিদেশি ক্রিকেটার ফেরানোর পাশাপাশি ডিপিএলের আর্থিক কাঠামোতেও পরিবর্তন আসছে। চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানি ১২ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ লাখ করার প্রস্তাব রয়েছে। রানার্স আপ প্রাইজমানি ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ লাখ করার পরিকল্পনা হয়েছে।
দল গঠনের জন্য বরাদ্দও ১৫ লাখ থেকে দ্বিগুণ হয়ে ৩০ লাখ টাকায় উন্নীত হতে পারে। জার্সি তৈরির বাজেট ২ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ করার প্রস্তাবও দিয়েছে বিসিবি।
৬.৫ ফুটের বেনিয়ামিন সেসকোকে ১২শ' কোটি টাকায় কিনলো ম্যানইউ