ঢাকা বোর্ডে নতুন জিপিএ ৫ পেল ২৮৬, ফেল থেকে পাস ২৯৩

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৫, ০৭:৩৯ এএম

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৮৬ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে তিনজন পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া ফেল থেকে পাস করেছে ২৯৩ জন। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফলে এই পরিবর্তন এসেছে। গতকাল রবিবার পুনর্নিরীক্ষণের এই ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মনজুরুল কবীর জানিয়েছেন, এবার পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৯২ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থীর ২ লাখ ২২ হাজার ৫৩৩টি পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৯৪৬ জনের।

গত ১০ জুলাই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন শুধু এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩১০ জন পরীক্ষার্থী। তখন পাস করে ১০ লাখ ৬ হাজার ৫৫৪ জন। পাসের হার ৬৮ দশমিক শূন্য ৪, যা গতবার ছিল ৮৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এবার গতবারের চেয়ে জিপিএ ৫ কমেছে ৩৮ হাজার ৮২৭। এবার জিপিএ ৫ পায় ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। পুনর্নিরীক্ষণে এখন তা কিছু বেড়েছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে নতুন করে জিপিএ ৫ পেল ৬৫ জন : এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৫ জন। ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে ৬৪৬ জনের। এর মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ৬৪ জন। প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল না হওয়ায় বিধি অনুযায়ী ৩২ হাজার ৩০৭ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭৮ হাজার ১৯২ খাতা নিরীক্ষণ করে এই ফলাফল প্রকাশ করে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।

পুনর্নিরীক্ষণ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সাধারণত প্রাপ্ত নম্বরের গণনায় কিংবা বৃত্ত ভরাটের ভুল বা কোনো উত্তর অমূল্যায়িত থাকলে পুনর্নিরীক্ষণের সময় তা নিরীক্ষা করা হয়। এই প্রক্রিয়া ফলাফল প্রকাশের একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় অনেকের নম্বর বেড়েছে।’

এবারের প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক শূন্য ৭ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন। সবচেয়ে বেশি ফেল করেছিল গণিত ও ইংরেজিতে। এবার গণিতে ৮১ দশমিক ৫৩ শতাংশ ও ইংরেজিতে ৮৩ দশমিক ২৪ শতাংশ পাস করায় বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার কমে ৭২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে নেমে আসার জন্য অনেকে দায়ী করেছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত