নীলফামারীতে বিশেষায়িত হাসপাতালের জায়গা পরিদর্শনে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৫, ০৮:৫৭ পিএম

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, চীনের অর্থায়নে দেশে তিনটি ‘চায়না বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ স্পেশালাইজড জেনারেল হাসপাতাল’ নির্মাণ করা হবে, যার প্রথমটি হবে রংপুর বিভাগে। চীনের এক হাজার শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জন্য রংপুর বিভাগের তিনটি জায়গা পরিদর্শন করা হয়েছে। এরমধ্যে নীলফামারী জেলার স্থানটি প্রথমে রয়েছে। চীন থেকে তাদের প্রতিনিধি দল এসে জায়গাটি চুড়ান্ত করবেন।

শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকাল ৫টার দিকে নীলফামারী সদরের দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল সংলগ্ন ২৫ একর খাস জায়গা পরিদর্শণ করেন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলুর রহমান মোহসিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সাইদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও জেলা বিএনপির আহবায়ক মীর সেলিম ফারুক, সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. খায়রুল আনাম ও জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল মজিদ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বন্ধুত্বপূর্ণ ও কল্যাণকর উদ্যোগের জন্য চীনের জনগণ ও সরকারের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। চীন সবসময় বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে দুর্যোগ ও সংকটময় সময়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। উত্তরবঙ্গে এই হাসপাতাল নির্মাণের পর চীনের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আর দৃঢ় হবে।

দেশের স্বাস্থ্যখাত সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা বদ্ধ। হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মান ফেরাতে বিশেষ নজর রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের। একই সঙ্গে দেশের প্রত্যেক সরকারি হাসপাতালে চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসক নার্সসহ জনবল নিয়োগের পদক্ষেপ গ্রহণ করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে চলমান সকল অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট দীর্ঘদিনের সমস্যা। এই সমস্যা সরকারের একার পক্ষে দূর করা সম্ভব না। সিন্ডিকেট রুখতে প্রয়োজন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা। অনিয়ম দূর করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি নিজের সংস্কারও অত্যন্ত জরুরি।

এরপর তিনি নীলফামারী সদরের নটখানা নামক স্থানে নীলফামারী মেডিকেল কলেজের স্থান ও বর্তমান ক্যাম্পাস পরিদর্শন শেষে বৃক্ষরোপণ করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত