ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ফুটবলে এক অবিশ্বাস্য নাটকীয়তার জন্ম দিল গ্রিমসবি টাউন। ইংলিশ লিগ-টু’র এই ক্লাব ফুটবল দুনিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে! ম্যাচে মোট গোল হয়েছে ২৭টি! মূল সময়ের খেলা ২-২ গোলে ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ১২-১১ ব্যবধানে হেরে যায় ইউনাইটেড।
মঙ্গলবার রাতে ইএফএল কাপের ম্যাচে এই হারের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল এরিক টেন হাগের দল। ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিটেই চার্লস ভার্নাম ও টাইরেল ওয়ারেনের গোল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে স্তব্ধ করে দেয় গ্রিমসবি। শেষ ১৫ মিনিটে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে ইউনাইটেড। ব্রায়ান এমবুয়েমো একটি গোল শোধ করার পর শেষ মুহূর্তে হ্যারি ম্যাগুয়েরের সমতাসূচক গোল ম্যাচকে টাইব্রেকারে নিয়ে যায়।
পেনাল্টি শুটআউটে দুই দলের ১১ জন করে খেলোয়াড় শট নেন। শুরুতে গ্রিমসবির ক্লার্ক ওডুর ও ইউনাইটেডের মাথেউস কুনিয়া মিস করলেও বাকি সবাই গোল করতে সক্ষম হন। দ্বিতীয় রাউন্ডে গিয়ে অবশেষে পার্থক্য গড়ে ওঠে—ড্যারাহ বার্নস গোল করার পর এমবুয়েমো দ্বিতীয় শটে ক্রসবারে লাগান। আর তাতেই ১২-১১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ে গ্রিমসবি।
ইউনাইটেডের জন্য ছোট দলের কাছে হারের অভিজ্ঞতা অবশ্য নতুন নয়। ৩০ বছর আগে ১৯৯৫ সালে ইয়র্ক সিটির কাছে ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তারা ৩-০ গোলে হেরে গিয়েছিল! তবে গ্রিমসবির এই জয় নিঃসন্দেহে আধুনিক যুগের অন্যতম বড় অঘটন হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নেবে।
ম্যাচ শেষে ইউনাইটেড কোচ আমোরিম বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা শেষ সীমায় পৌঁছে গেছি। কিছু একটা বদলাতে হবে। আজ সেরা দলই জিতেছে, আসলে মাঠে একটাই দল ছিল। আমাদের শুরুটা ছিল ভয়াবহ, কারও মাঝেই জয়ের কোনো তাড়না ছিল না। আমরা পুরোপুরি হারিয়ে গিয়েছিলাম। এখন আমাদের সপ্তাহান্তের ম্যাচে মনোযোগ দিতে হবে, তারপর সময় নিয়ে ভেবে দেখা যাবে।’
সাকিবের মলিন পারফর্মেন্স; দলের বড় পরাজয়
চোটের ভয় নিয়ে খেলেও জোড়া গোল মেসির, মায়ামি ফাইনালে