ফরিদপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার হোটেল রাজস্থানের সামনে বৃহস্পতিবার সকালে একই নম্বরের ৫টি প্রাইভেটকার নিয়ে শহরবাসীর মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির মূল মালিক এবং কাগজপত্র না পেয়ে গাড়িগুলো থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে শহরের গোয়ালচামট হোটেল রাস্থানের সামনে সারিবদ্ধভাবে রাখা ৫টি নতুন একই নম্বর প্লেটের প্রাইভেটকার (নং-ঢাকা মেট্টো-শ-০০-৭৩৮) দেখতে পান। এ সময় কৌতূহলী জনতা বিষয়টি থানা ও ট্রাফিক পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি খোঁজ খবর নেন। গাড়িগুলোতে এসে যারা হোটেল রাজস্থানে অবস্থান করছিলেন তারা হলেন হাবিবুর রহমান, তুরান, আল আমিন, আব্দুল জব্বার, জয়নাল, আবু তালিব হোসেন, হাফিজুল, হাসিবুল, মাসুম, রিংকু, পনির, সাব্বির।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সোহেল আহম্মেদ জনি নামের একজন লেখেন, হোটেল রাজস্থানের সামনে একই নম্বরের ৫টি গাড়ি দেখা যায়। পুলিশ তদন্তে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি লিখেন খবরটা চাঞ্চল্যকর, মূলত একই নম্বরের গাড়ি শুধুমাত্র গ্যারেজ নম্বরের ক্ষেত্রে। কোর্ট থেকে গাড়ি গ্যারেজে নিলে একই নম্বর হতে পারে বা গ্যারেজ থেকে গাড়ি বাড়িতে নিলে এমন হতে পারে। তবে একই নম্বরের গাড়ি রাস্তায় চালানো আইনগতভাবে ঠিক নয়। গাড়ির মালিকদের অপেক্ষায় ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তাদের না পেলে জবাবদিহির জন্য গাড়িগুলো থানায় পাঠানো হয়েছে।
হোটেল রাজস্থানের ম্যনেজার মো. মহিউদ্দিন জানান, নতুন ৫টি প্রাইভেটকার বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে হোটেলের সামনে আসে। গাড়িগুলোতে চালকসহ ১৭ থেকে ১৮ জন আরোহী ছিলেন। যতদূর শুনেছি শহরের কমলাপুর এলাকায় একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট উদ্ভোধন করার জন্য এসেছিলেন। সকালে গাড়িগুলো দেখে উৎসুক জনতা ভিড় করলে পুলিশ খবর পেয়ে গাড়িগুলো থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ফরিদপুর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) খুরশিদ আলম শিকদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়িগুলোর শোরুম কিংবা গ্যারেজ নম্বরের সঠিক কাগজপত্র না পেয়ে গাড়িগুলো কোতয়ালী থানা পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। গাড়িগুলোর সঠিক কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গাড়িগুলো ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. আসাদ উজ্জামান বলেন, প্রাইভেটকার ৫টি পুলিশ লাইনে নিয়ে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনও মামলা কিংবা কোনও সাধারণ ডায়রি এখনও হয়নি।
