হলের লাইব্রেরি থেকে নিয়মিত বই চুরির ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আঞ্জুমান আরা সাংবাদিককে বলেন, ‘আগে ছাত্রলীগ ছিলো না? তারাই ভালো ছিলো ধরে ধরে পিটাইতো ঐটাই ঠিক ছিল।’
হলের লাইব্রেরি থেকে বই চুরির ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে একটি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় দেশ রূপান্তর অনলাইনে। সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ হয়ে দেশ রূপান্তরের জবি প্রতিনিধি ফাতেমা আলীকে হলুদ সাংবাদিক আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে কমেন্ট করেন তিনি। পরে সংবাদ প্রকাশের জেরে রাত ১২টার দিকে মেসেজ দিয়ে হলের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ডাকা হয় তাকে।
ওই সাংবাদিকের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এত তাড়াহুড়া কিসের? সে দৌড়াইয়া নিউজ করে দিছে। হলে কিছু মেয়ে আছে সবকিছু এখনই চায়। তারা কি হয়ে গেছে? ও আমার হলের শৃঙ্খলা কমিটিতে আসবে। নিউজের জন্য জবাবদিহি করবে। ওই আবার নিউজ করবে। এতো সময় নাই আমার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার।’
হল প্রভোস্ট আরও বলেন, সাদা দলের লোক নাই তাই প্রভোস্ট হয়েছি। এত ঠেকা নাই আমার। নির্বাচন হলে তখন দলের অনেক লোক হবে। কেউ দায়িত্ব নিতে চাইলে তখনই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে চলে যাব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমি বই চুরির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। তবে সাংবাদিকের সাথে এরূপ আচরনের ঘটনা সম্পর্কে এখনও কিছু জানিনা। আমি বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে দেখছি। যদি সত্যিই এরকম ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
