দেড় বছরেই ভেঙে পড়ল ত্রিশালের ৯ কিলোমিটার সড়ক

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৪২ পিএম

ময়মনসিংহের ত্রিশাল নুরুর দোকান থেকে কালিরবাজার পর্যন্ত নয় কিলোমিটার দীর্ঘ পাকা সড়কটির অবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক। অসংখ্য খানাখন্দ আর ডোবার মতো গর্তে ভরা এ সড়ক প্রতিদিনই যাত্রী ও পথচারীদের জন্য বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে সংস্কার হলেও বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গেছে। বিশেষ করে মাছবাহী ট্রাক ও ভ্যানের চাপের কারণে জায়গায় জায়গায় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। হদ্দের ভিটা এলাকায় সড়কটি পুকুরের সঙ্গে মিশে ছোট ডোবায় রূপ নিয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো হেলে দুলে চলাচল করছে, আর যাত্রীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার মুখে পড়ছেন। টানা বৃষ্টিতে গর্তগুলো আরও গভীর হয়েছে। সড়কের দুই পাশে মাছের ঘেরের পাড় হিসেবে জমি ব্যবহার ও সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

সাইজাদী গ্রামের বাসিন্দা সাদিকুর রহমান বলেন, ‘বছর খানেক আগে অনেক ভোগান্তির পর সড়কটি সংস্কার করা হয়। কিন্তু অপরিকল্পিত মাছের ফিসারি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দেড় বছরের মধ্যেই সড়কটি ভেঙে পড়েছে। অনেক জায়গা ডোবায় পরিণত হয়েছে। ত্রিশালের প্রয়াত ইউএনও রাশিদুল হাসান স্যারের নামে নামকরণ করা এই সড়ক দ্রুত সংস্কার জরুরি।’

অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া জানান, সড়ক ভাঙা থাকায় যাত্রীরা প্রতিদিন কষ্ট পাচ্ছেন। অনেক সময় যাত্রী নামিয়ে ঠেলে গাড়ি তুলতে হয়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি সবসময় থাকে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য এরশাদ হাসান বলেন, সড়কের পাশে পুকুর থাকায় এক পাশের পানি অপর পাশে যেতে না পারায় সড়ক ভেঙে ডোবায় পরিণত হয়েছে অনেক দিন ধরে। দিনে কোনোভাবে যাতায়াত করা গেলেও রাতে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই স্থানীয়রা ইট-বালি ফেলে সাময়িক মেরামত করেছে। কিন্তু আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শফিউল্লাহ খন্দকার বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত