নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের ধাওয়ায় ভয়ে পালানোর চেষ্টায় মাছ ধরার ট্রলার ‘এমভি আবুল কালাম’ ডুবে যায়। ২৪ ঘণ্টা পর অন্য ট্রলারের সহযোগিতায় ১৮ জন জেলে উদ্ধার হন।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চরঈশর বাংলাবাজার ঘাটে উদ্ধার হওয়া জেলেদের উপজেলা সদরে নিয়ে আসা হয়। উদ্ধার হওয়া জেলেরা সবাই জাহাজমারা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের বাসিন্দা।
জেলেদের বর্ণনা অনুযায়ী, রবিবার বিকেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায় ট্রলারটি। হঠাৎ তাদের ওপর আক্রমণ চালায় জলদস্যুরা। প্রাণ ও সম্পদ রক্ষার জন্য তারা দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে জলদস্যুরা পিছন থেকে দ্রুত গতিতে এসে ট্রলারের ধাক্কা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে ট্রলারটি উল্টে যায় এবং অনেকাংশ ডুবে যায়। পরে জলদস্যুরা চলে গেলে জেলেরা ডুবে যাওয়া ট্রলারের অংশ ধরে ভেসে থাকে।
ট্রলারের মালিক কালু মাঝি বলেন, জলদস্যুরা ট্রলারটি ডুবিয়ে দেওয়ার পর সামান্য অংশ ভাসতে থাকে। তারা সেটি ধরে ২৪ ঘণ্টা ভেসে ছিল। সোমবার বিকালে অন্য উপজেলার দুটি মাছধরা ট্রলার তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে দেখে উদ্ধার করে এবং সন্ধ্যায় তীরে নিয়ে আসে। নিজের চোখের সামনে কোটি টাকার সম্পদ সাগরে হারাতে হয়েছে।
এ বিষয়ে হাতিয়া নৌপুলিশের ইনচার্জ আশিকুর রহমান জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি। নিঝুমদ্বীপ থেকে ঘটনাস্থল অনেক দূরে হওয়ায় আমাদের কিছু করার ছিল না। এছাড়া আমাদের কাছে তেমন কোনো ভারি যানবাহন নেই। এজন্য আমরা চাইলেও গভীর সমুদ্রে গিয়ে কোনো অভিযান করতে পারি না।
প্রিমিয়ার ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
ভেনেজুয়েলার মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ৩