ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দিল্লির সাবেক অধিনায়ক মিঠুন মানহাস। আজ রবিবার বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তাকে নির্বাচিত করা হয়। ৪৫ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার সংস্থার ৩৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেন।
মানহাসের মনোনয়ন আসে এক প্রকার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে। এর পেছনে বিশেষ ভূমিকা রাখে জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (জেকেসিএ) সমর্থন, যা ভারতীয় ক্রিকেটে তুলনামূলকভাবে প্রান্তিক অঞ্চলের জন্য এক বিরল স্বীকৃতি হিসেবে ধরা হচ্ছে। এর আগে গতমাসে বয়সজনিত কারণে বিসিসিআইয়ের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন রজার বিনি।
অখ্যাত মিঠুন মানহাস কখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেননি। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ২০১৬-১৭ পর্যন্ত খেলেছেন ১৫৭টি প্রথম শ্রেণি, ১৩০টি লিস্ট ‘এ’ এবং ৫৫টি আইপিএল ম্যাচ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার সংগ্রহ ৪৫.৮২ গড়ে ৯ হাজার ৭১৪ রান। এর মধ্যে আছে ২৭টি সেঞ্চুরি এবং ৪৯টি হাফ সেঞ্চুরি। ২০০৭-০৮ মৌসুমে তিনি একাই করেন ৯২১ রান, যা দিল্লির রঞ্জি ট্রফি জয়ে বড় অবদান রাখে।
আইপিএলে তিনি খেলেছেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, পুনে ওয়ারিয়র্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে। ৫৫ ম্যাচে করেছেন ৫১৪ রান। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে মানহাস কোচ ও ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করেছেন। ২০১৭ সালে মনহাস পfঞ্জাব কিংসের সহকারী কোচ হন। এর পর বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটিং পরামর্শদাতা হন। দু’বছর সেই পদে থাকার পর তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সহকারী কোচ হন। সর্বশেষ গুজরাট টাইটান্সের সহকারী কোচের পদে রয়েছেন।
মানহাস ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে তৃতীয় সাবেক ক্রিকেটার, যিনি বিসিসিআই সভাপতির দায়িত্ব নিলেন। এর আগে সৌরভ গাঙ্গুলি এবং রজার বিনি একই পদে ছিলেন। মানহাস বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়ায় উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের রাজনীতিবিদ এবং ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি একে ‘জম্মু ও কাশ্মীরের দূরবর্তী জেলা দোদার জন্য এক ঐশ্বরিক রবিবার’ বলে মন্তব্য করেন।
ম্যারাডোনার ছেঁড়া জার্সি নিলামে; ৪০ বছর পর উন্মোচিত ইতিহাস
এশিয়া কাপ ফাইনালে মহসিন নাকভির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করবে ভারত?
টরন্টোয় হোঁচট খেয়ে সাপোর্টার্স শিল্ডে চাপের মুখে মায়ামি