দুর্দান্ত সাইফে আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৩৬ এএম

টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানক হারাতে শারজায় রবিবার বাংলাদেশের লক্ষ্যটা ছিল ১৪৪ রানের। সাইফ হাসানের (৩৮ বলে অপরাজিত ৬৪) দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে, ১২ বল হাতে রেখে। তাতে হলো আরেকটি বাংলাওয়াশ।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে চতুর্থবারের মতো প্রতিপক্ষককে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। এই ফরম্যাটে আফগানিস্তানকে প্রথমবার।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাবধানী শুরু করেও ইনিংসটা বড় করতে পারেননি পারভেজ হোসেন। ওমরজাইয়ের স্লোয়ার বলে মিড অফে সেই রশিদের হাতেই ধরা পড়লেন (১৬ বলে ১৪ রান)। দ্বিতীয় উইকেটে জুটি গড়েন তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান। তানজিদ ৩৩ বলে ৩৩ রান করে ফিরলে ৫৫ রানের জুটি ভাঙে। অফ স্টাম্পের বাইরে করা আহমেদজাইয়ের স্লোয়ার বলটা মারতে গিয়ে মিড অফে ধরা পড়লেন ইব্রাহিম জাদরানের হাতে। তার আগে একবার তিনি জীবন পেয়েছিলেন। ইনিংসের ১২তম ওভারে রিভিউ নিয়ে বাঁচা জাকের খানিক পরেই ফেরেন। তিনি করেন ১০ রান। জাকেরকে ফেরানোর পরের বলেই শামীম পাটোয়ারীকে বোন্ড করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন মুজিবউর রহমান।

তবে একপ্রান্ত আগলে ছিলেন সাইফ হাসান। দুই উইকেট হারানোর পর রশিদের করা ইনিংসের ১৫তম ওভারটায় কোন রান নেননি তিনি ধারাভাষ্যকাররা তখন বলছিলেন এটি টেস্ট নয়, টি-টোয়েন্টি! তবে সাইফ তার আগেই চার ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। ১৬তম ওভারে গ্যালারির ছাদে বল পাঠান সাইফ। অভিষিক্ত বশির আহমেদের টানা দুই বলে দুই ছক্কা মারেন সাইফ হাসান। তাতে ক্যারিয়ারের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ফিফটি পূর্ণ করেন ৩২ বলে। শেষটা সাইফই করেন নুরুল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ২ চার ও ৭ ছক্কায় ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফ। তাকে সঙ্গ দেওয়া নুরুল হাসান অপরাজিত থাকেন ১০ রানে।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক জাকের বলেন, 'খারাপ এশিয়া কাপের পর যেভাবে দল ফিরে এসেছে সেটি দারুণ। তিন ম্যাচে দেখবেন আমাদের ফিল্ডিং ভালো হয়েছে, বোলিংও। ব্যাটসম্যানরাও নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে। দলে যারা আছে সবার আত্মবিশ্বাসী হতে হবে যে, তারাও পারে। সব কৃতীত্ব দলের খেলোয়াড়দের।'

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত