ঐতিহ্যবাহী লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেলে পূর্ব লন্ডনের স্টেপনি গ্রিন ফুটবল মাঠে বিপুল উৎসবমুখর পরিবেশে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ট্রাইব্রেকারে চ্যানেল এসকে ০৪-০৩ গোলে হারিয়ে ওয়ান বাংলা ফ্রেন্ডস ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এতে লন্ডনে বসবাসরত সাংবাদিকদের ৬টি দল অংশগ্রহণ করে।
খেলা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজন করা হয় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। এতে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি তাইসির মাহমুদের সঞ্চালনায় এবং প্রেসিডেন্ট মো. জুবায়েরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও দৈনিক ইত্তেফাকের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার আলদীন।
এ সময় আনোয়ার আলদীন বলেন, “ফুটবল আমাদের ঐতিহ্য। ফুটবলের সঙ্গে মিশে আছে আমাদের আবেগ, নস্টালজিক ভালোবাসা ও নিবিড় আবিষ্টতা। কালের পরিক্রমার নানা অভিঘাতে এই জনপ্রিয় খেলাকে অপাংক্তেয় করে দেওয়া হয়েছে। মাতামাতি হচ্ছে ক্রিকেট নিয়ে। বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মের নজর এখন ক্রিকেটের দিকে।
ফুটবল ক্রমশ নানা কারণে কৌলিন্য হারাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার দূরে এসে বাংলাদেশের জনপ্রিয় খেলাটি উপভোগ করলাম। এখানে হারিয়ে যাওয়া মোহামেডানকে পেলাম। অন্য দলগুলোর নৈপুণ্য দেখলাম মুগ্ধ হয়ে। আমরা চাইবো আগামীতে এই ফুটবল তার হৃদয়গৌরবময় স্থানে ফিরে আসুক।”
টুর্নামেন্টে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন বাহার উদ্দিন ও শাহিদুর রহমান সুহেল। সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন জাকির হোসেন কয়েস। ফাইনালের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েছেন আব্দুস সোবহান।
যুক্তরাজ্যে কর্মরত বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব প্রতিবছর এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকে।
টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলগুলো হলো— ওয়ান বাংলা ইউনাইটেড, বাংলা কাগজ, চ্যানেল এস, মোহামেডান এসসি, দেশ-পত্রিকা ইউনাইটেড এবং ইউকে বাংলা লাইভ ইউনাইটেড।
তার আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে খেলার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। ওই দিন উপস্থিত সবার সামনে লটারি মাধ্যমে দলগুলোকে ‘এ’ এবং ‘বি’ গ্রুপে ভাগ করা হয়।
গ্রুপ ‘এ’-তে ছিল বাংলা কাগজ, ওয়ান বাংলা ইউনাইটেড ও ইউকে বাংলা লাইভ; আর গ্রুপ ‘বি’-তে ছিল দেশ-পত্রিকা ইউনাইটেড, চ্যানেল এস ও মোহামেডান এসসি।
