রাজসাক্ষী হতে চৌধুরী মামুনকে ‘প্ররোচনা’ দেওয়া হয় 

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৩৯ এএম

জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় ব্যাপক হত্যাকা-, নির্যাতনসহ  মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত শুনানি Í মুলতবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। গতকাল সোমবার সাক্ষীকে জেরা করেন এ মামলার আসামি শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমীর হোসেন। জেরায় আসামিদের আইনজীবী দাবি করেন, এ মামলায় আসামিদের ফাঁসাতে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হতে প্ররোচিত করা হয়েছিল। তবে, সাক্ষী আলমগীর তা অস্বীকার করে বলেন, তিনি (চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন) স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনালে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর এ মামলার ৫৪তম এবং সবশেষ সাক্ষী। গতকাল সাক্ষ্যগ্রহণের সময় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম প্রমুখ।

জেরায় আসামিপক্ষের আইনজীবী আমীর হোসেন সাক্ষীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আসামি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চেয়েছেন বলে আপনি জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন, এটা সত্য নয়। আসামিদের ফাঁসানোর জন্য তাকে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে তদন্ত কর্মকর্তারা প্ররোচিত করেছেন।’   

জবাবে সাক্ষী বলেন, ‘এটা সত্য নয়, তিনি (চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন) নিজের ইচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’

জেরায় আলমগীর বলেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত  বিভিন্ন পত্রিকার যে সব প্রতিবেদন তিনি সংগ্রহ করেছেন সেগুলোর বিষয়ে পত্রিকার কোনো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনি কথা বলেননি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত